Naya Diganta

আন্দোলন থেকে দূরে রাখতেই সরকার বিএনপির সংবেদনশীল জায়গায় আঘাত করছে : গয়েশ্বর

গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন থেকে দূরে রাখতেই সরকার বিএনপির সংবেদনশীল জায়গায় আঘাত করছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আমাদের সংবেদনশীল জায়গায়গুলোতে স্পর্শ করলে, আঘাত করলে সেটা নিয়ে যদি আমরা ব্যস্ত হই তাহলে তারা আরামে দিন কাটাবে।

শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মাঝে মধ্যে আমাদের বিভিন্ন সংবেদনশীল জায়গায় স্পর্শ করবে, আঘাত করবে। আর সেটা নিয়ে যদি আমরা ব্যস্ত হই তাহলে তারা আরামে দিন কাটাবে। গত ১২/১৩ বছরে এমনই দেখা গেছে। একেক সময়ে একেটা সেনসিটিভ ইস্যু সামনে নিয়ে এসেছে- সেটা নিয়ে আমরা খুব উত্তেজিত। কিন্তু আসল জায়গাটায় (গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার) আমরা হাত দিতে চাই না।’

জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ পদক বাতিলের অপচেষ্টার প্রসঙ্গে দলের এই নীতিনির্ধারক বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে আমরা গর্ব করি, এই স্বাধীনতা যুদ্ধে এসেছে, ভাষণে আসেনি। যুদ্ধে যদি স্বাধীনতা আসে, সেই যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন জিয়াউর রহমান। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধের অপর নাম জিয়াউর রহমান।’

‘কে বা কারা জিয়াউর রহমানের খেতাব নিলো কি নিলো না, জিয়াউর রহমানকে কে কী বললো, কী বললো না তাতে কিছু যায় আসে না। জিয়াউর রহমান তার জায়গায় আছেন, তিনি নিজের জায়গায় থাকবেন যতদিনে দেশ থাকবে,’ যোগ করেন গয়েশ্বর।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের প্রসঙ্গ টেনে গয়েশ্বর বলেন, ‘আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আমরা উদার গণতান্ত্রিক সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার একটা প্রচেষ্টা নিয়েছি।’

জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে ‘গণতন্ত্র, গণমাধ্যম, গণকণ্ঠ অবরুদ্ধ : বাংলাদেশের ভাগ্য কোন পথে’ শীর্ষক এই আলোচনা সভা হয়।

সংগঠনের সভাপতি সাহেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাসাসের আরিফুর রহমান মোল্লা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।