Naya Diganta

তবুও আফসোস নোশিন ওয়ালিজার

তবুও আফসোস নোশিন ওয়ালিজার

২০ আগষ্ট শেষ হলো ওয়ালিজা আহমদে ও নোশিন আনজুমদের অনলাইন দাবা কোচিং। দেশে তারা গ্র্যান্ড মাস্টার এনামুল হোসেন রাজীব এবং আবদুল্লাহ আল রাকিবের অধীনে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। তবে গত ২০ দিনের এই প্রশিক্ষন ক্যাম্প ছিল সম্পূর্ন ভিন্ন। এশিয়ান চেস ফেডারেশনের অধীনে এই কোচিংটা হয়েছে বিশ্বখ্যাত গ্র্যান্ড মাস্টারদের অধীনে। তবুও আফসোস নোশিন আনজুম এবং ওয়ালিজাদের। করান একই সময়ে অনলাইনে বিশ্ব দাবা অলিম্পিয়াড চলায় তিন দিন কোচিং করা হয়নি তাদের। এই তিন দিনেই আবার কোচ ছিলেন সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বিশ্ব নাথন আনন্দ এবং জুডিথ পোলগারের।

যাদের কাছ থেকে দাবার সম্যক জ্ঞান নিতেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন নোশিন- ওয়ালিজারা। এরপরও বাকী যে চার গ্র্যান্ড মাস্টারের কাছ থেকে প্রশিক্ষন নেয়া তা ভবিষ্যতে আরো ভালো করার আত্মবিশ্বাস এই দুই মহিলা দাবাড়–র। তাদের সাথে কোচিং পান জান্নাতুল ফেরদৌসও।

আনন্দ এবং পোলগার ছাড়াও কোচিং করান আর্তুর জুসুপও, ভিক্টর বলগান, জ্যাবক আগার্ড এবং লেভ সাকিস। এরা সবাই গ্র্যান্ড মাস্টার। এদের কোচিং পেয়ে খুশী নোশিন ও ওয়ালিজা। ১৯০৩ রেটিং ধারী মহিলা ফিদে মাস্টার নোশিনের মতে, বিশ্বনাথন আনন্দ এবং জুডিথ পোলগারের কোচিংটা না পেয়ে কষ্টতো লেগেছেই। আমার ঈদটা এবার স্পেশাল ছিল তাদের কাছে কোচিং পাবো এই প্রত্যাশায়। কারন তারা দাবার লিজেন্ড। এরপরও বাকী যে চার জন আমাদের কোচ ছিলেন তারাও লিজেন্ড। তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। এটাই এখন আমাকে প্রেরণা যোগাচ্ছে আরো ভালো করার। ওয়ালিজার মতে, ‘আমারও খারাপ লেগেছে আনন্দ এবং পোলগারের কোচিং না পেয়ে। এরপরও যাদের ট্রেনিং পেয়েছি তা আমাকে আগামীতে দেশে প্রথমবারের মতো কোনো আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ব্যাপারে সাহস বাড়িয়ে দিয়েছে।’ উল্লেখ্য ১৭৫৫ রেটিং ধারী ওয়ালিজা বর্তমানে মহিলা ক্যান্ডডেট মাস্টার।

এবারের দাবা অলিম্পিয়াডে নোশিন চার ম্যাচের একটিতে জিতেছেন বেলারুশের দাবাড়–র বিপক্ষে। আর ওয়ালিজার ২ জয় পাঁচ ম্যাচ। জিতেছেন তুর্কমেনিস্তান এবং কিরগিজস্তানের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে।