Naya Diganta

মির্জাপুরে সেতুর দেয়াল ধসে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

মির্জাপুরে বন্যার পানির প্রবল স্্েরাতে সেতুর গাইড ওয়াল ও সড়ক ধসে ওয়ার্শি-বালিয়া-ধামরাই সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের সেতুটির মাটি ধসে পড়ায় পার্শ্ববর্তী জেলার সাথে যোগাযোগে হাজার হাজার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সিট মামুদপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র পোদ্দারসহ স্থানীয়দের অনেকে অভিযোগ করে বলেন, ওয়ার্শি-বালিয়া-ধামরাই সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টাঙ্গাইল, ঢাকা ও মানিকগঞ্জ জেলার চারটি উপজেলার হাজার হাজার মানুষ এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ সড়কটির উন্নয়নে দুই বছর আগে বরাদ্দ দিলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে নিম্নমানের কাজ হয়েছে। এলাকাবাসী বার বার অভিযোগ করার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টির প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেয়নি। সড়কের নির্মাণাধীন সেতু ও কালভার্ট নিচু এবং মূল সড়ক উঁচু না হওয়ায় সড়কের বিভিন্ন অংশ বন্যার পানিতে তলিয় যায়। বৃহস্পতিবারও বন্যার পানির প্রবল স্রোতে রোয়াইল ব্রিজের দক্ষিণ পাশের গাইডওয়াল ও সড়ক ধসে পড়ে। এ ছাড়া সেতুর নিচ দিয়ে বন্যার পানির স্রোতে আশপাশের বাড়িঘর বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এ দিকে সড়কের পুষ্টকামুরী, ঘুগী, কুতুববাজার, রোয়াইল, ওয়ার্শিসহ বিভিন্ন অংশ বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মির্জাপুর উপজেলার ওয়ার্শি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুব আলম মল্লিক বলেন, ঠিকাদারের অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে ওয়ার্শি-বালিয়া-ধামরাই সড়কের কাজ অত্যন্ত নিম্নমানের হওয়ায় বৃষ্টি ও বন্যার পানিতে সড়কের বিভিন্ন অংশের ইট-সলিং উঠে গেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রোয়াইল সেতুর গাইডওয়াল ও মাটিসহ সলিং ধসে পড়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ টাঙ্গাইলের নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বন্যার পানির প্রবল স্রোতে ওয়ার্শি-বালিয়া-ধামরাই সড়কের বিভিন্ন অংশের ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া বৃহস্পতিবার রোয়াইল এলাকায় একটি সেতুর একাংশ ধসে পড়েছে। সড়কটি সংস্কার ও ধসে পড়া সেতুটি দ্রুত সংস্কার করা হবে বলে তিনি জানান।