Naya Diganta

অবসরে ছেলের কোচ হলেন সালাউদ্দিন

বাস্তবতার কাছে অসহায় সবাই। ক্রিকেটবিহীন সময়ে হাঁপিয়ে উঠেছেন ক্রিকেটের অভিজ্ঞ কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। অবশ্য পুরোপুরি ঘরবন্দী নন। থাকেন বিকেএসপিতে। সময় দিচ্ছেন স্ত্রী ও দুই ছেলেকে। সালাউদ্দিনের ১৩ বছর বয়সী ছেলে নুহায়েল সানদিদ এবার সুযোগ পেয়েছেন বিকেএসপিতে। সেভাবে ছেলের ক্রিকেট দেখভালের সুযোগ হয় না তার। দেশের অন্যতম সেরা কোচ এই সুযোগে আপাতত হয়েছেন নিজের ছেলের কোচ।
‘কোচিংয়ের ব্যস্ততায় নিজের ছেলের খেলা নিয়ে সেভাবে কাজ করতে পারিনি। এখন বাসার পাশের মাঠে ওকে একটু সময় দিচ্ছি। ও ডানহাতি ব্যাটসম্যান আর চায়নাম্যান বোলার। এই সুযোগে কিছু জিনিস দেখিয়ে দিচ্ছি। দেখলাম, ও বেশ দ্রুত শিখতে পারে। দোয়া করবেন যেন ওর ইচ্ছে টিকে থাকে আর ভালো করতে পারে।’
কোচিং নিয়ে নিজের লেখা বই শেষ করার কাজটি এ সময়ে এগিয়ে রাখছেন। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের এই কোচ জানান, ‘৫-৬ বছর ধরেই আমি চেষ্টা করছি একটি বই লেখার। নিজের জানা শোনা, প্রাকটিক্যাল অভিজ্ঞতা, সবকিছু থেকে কোচিংয়ে টেকনিক্যাল-ট্যাকটিক্যাল ও মানসিক দিকগুলো নিয়ে বইটি গুছিয়ে এনেছিলাম। এখন পড়তে গিয়ে দেখছি, অনেক কিছুই বাদ পড়েছে। এই সুযোগে বইটি শেষ করার চেষ্টা করছি।’
মোহামেডানের কোচ সোহেল ইসলাম জানান, ‘এমনিতে পড়াশোনার সময় খুব একটা হয় না। এই সুযোগটা কাজে লাগাচ্ছি। বিভিন্ন জার্নাল ও আর্টিকেল পড়ছি।’
২০১৬ সালে বাবুলের কোচিংয়েই দেশের মাটিতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে তৃতীয় হয়েছিল বাংলাদেশ। ‘অনলাইনে চলছে কোচিং।’
দেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেট কোচ সরওয়ার ইমরান থাকতে চাইছেন ফুরফুরে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, ‘এমনিতে আমি সারা বছরই কোচিং নিয়ে পড়াশোনা করি। এই অবসরে চেষ্টা করছি কম পড়তে। টিভি দেখছি, ফেসবুক দেখছি, সারা দুনিয়ার খোঁজ রাখছি। চেষ্টা করছি, অবসর সময়ে নানাভাবে বিনোদন নেয়ার। লিগ কবে হবে ঠিক নেই।