Naya Diganta

ছায়াদের সরণি

গোটা দিন দিয়ে কারুকাজে নাম লেখা হয়
মৃত তারাদের
একটা দুপুর কিংবা রাতে আত্মজীবনীতে
শতাধিক ক্লান্তি, ভাঙা লাইট হাউস
ভালো লাগে না
মনে হয় ফেরেশতা কান্না দিয়ে ছবি বুনছে
একটা বালক
পড়ছি, আমি পড়ছি লুপের মধ্যে রচনাবলি।

অদ্ভুত চোরাঘুমে ঘুঙুর বেঁধে নদী নেমেছে
তৃষ্ণা মেটাই থৈথৈ স্কুল বাড়িতে
টিউনিক পড়ে বিনুনি ঝুলিয়ে
অকারণে হাসছে, কুঁচি তুলে হাঁটতে হাঁটতে
গড়িয়ে পড়ল বিকেলে হলুদ আত্মীয়তা নিয়ে
দুহাতে ঘাসফুল কুড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়ি।

ফিরতি পথে খুঁজি একটা পাঞ্জাবি পরা বয়স
চিঠি লিখব বলে পেপার নিই
উঠে গেছে এখান থেকে ডাকঘর
এক শিশি আতর ঢেলে বেদুইন বৃষ্টি নিয়ে
ঝরে পড়ে অন্ধকার
সীমান্তে দাঁড়িয়ে কোটি কোটি বছর ধরে
খুঁজব আমি তোমাকে

মনে পড়ে মধুর সন্ধ্যায় কবিতা গান নামত
রাস্তাজুড়ে মিষ্টি গন্ধ পান্থশালার আবেশীয়
আবছা হয় পূর্বাভাস ছাড়া
ঘুমের আগে মুখস্থ করা তোমাকে
শুয়ে থাকে একদল আবেগ
সারা রাত কথা বলে একা একা
রাগ নেই, অভিমান নেই হুট করে যাবে বলে উঠে
চলে গেলে অহেতু আকাশটা লাল হয়
রাংতা মোড়ানো জীবন ক্ষয়ে আসে।

সে যাবে, তাই ধরা যায় না, নইলে থেকে যেত
স্বপ্নের ভেতর থাকে দীর্ঘ একটা লকডাউন যাপন।