Naya Diganta

সোলাইমানির মৃত্যুর পর ভয়ে তড়িঘড়ি করে দেশে ফিরছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী

কাসেম সোলাইমানি ও বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু

মার্কিন হামলায় ইরানের শীর্ষ কমান্ডার নিহত হওয়ার পর নিরাপত্তা হুমকির কারণে গ্রিস সফর সংক্ষিপ্ত করে তড়িতড়ি করে দেশে ফিরে আসছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু।

লে. জেনারেল কাসেম সুলাইমানির মৃত্যুর পর এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছে ইরান।

ইসরাইলের সংবাদ মাধ্যম জেরুসালেম পোস্টের খবরে প্রকাশ, সুলাইমানির মৃত্যুর পর শুক্রবার সকালে ইসরাইলের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নাফতালি বেনেট নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে জরুরি বৈঠকে বসেন। সেখানে তাদের নিরাপত্তা পরিস্থিতির বিষয়টি আলোচিত হয়।

খবরে আরো প্রকাশ, সুলামাইনি হত্যায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জনসমক্ষে মন্ত্রীদের কোনো কথা বলতে নিষেধ করেছেন নেতানিয়াহু।

ইরানের হামলার আশঙ্কায় বিশ্বব্যাপী ইসরাইলের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোতে জারি করা হয়েছে উচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা।

ইসরাইলের সীমান্ত এলাকায় নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে ইন্টারনেট ও ফোন যোগাযোগ। একটি পর্যটন এলাকায় পর্যটকদের প্রবেশ স্থগিত করে দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার ভোররাতে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র কুদস বাহিনীর কমান্ডার লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে লক্ষ্য করে তার গাড়িবহরে বিমান হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এ আক্রমণে ইরাকের হাশদ আশ-শাবি বা পপুলার মোবিলাইজেশন ইউনিটস সংক্ষেপে পিএমইউ’র সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আবু মাহদি আল-মুহানদিসও নিহত হন।

এ ঘটনার কঠিন বদলা নেয়ার হুশিয়ারি দিয়েছে আইআরসিজি ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।

যুক্তরাষ্ট্রর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ হামলার তদারিক করেছেন বলে পেন্টাগন থেকে বলা হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশেই বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শুক্রবার রকেট হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ডের শক্তিশালী এই কমান্ডার নিহত হয়েছেন।

এ ঘটনার পর মার্কিন নাগরিকদের ইরাক ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।