Naya Diganta

দুদকের বরখাস্ত পরিচালক এনামুল বাছিরের জামিন আবেদন

খন্দকার এনামুল বাছির

ঘুষ লেনদেনের মামলায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন।

আজ রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জামিন আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাছিরের আইনজীবী এমএম জামাল হোসেন।

বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মবিনের অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী মঙ্গলবার এ আবেদনের উপর শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

ঘুষ লেনদেনের মামলায় গত ২৩ জুলাই এনামুল বাছিরের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ। একইসাথে জেল কোড অনুযায়ী তাকে ডিভিশন দেয়ার নির্দেশ দেন আদালত।

আগের দিন ২২ জুলাই মামলা দায়েরের পর রাতে দুদকের পরিচালক শেখ মো: ফানাফিল্যার নেতৃত্বে একটি দল রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালাম এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছিল। ওইদিন দুদক পরিচালক ও অনুসন্ধান টিমের দলনেতা শেখ মোহাম্মদ ফানাফিল্যা মানি লন্ডারিং আইনে সংস্থার ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের ঘটনায় এনামুল বাছিরসহ দুর্নীতি মামলায় সাময়িক বরখাস্ত পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে গত ১৬ জুলাই মামলা দায়ের করা হয়। ফরেনসিক পরীক্ষায় ঘুষ লেনদেন নিয়ে তাদের কথোপকথনের অডিও’র সত্যতা পাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করা হয়।

এর আগে গত ১০ জুন একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল প্রচারিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘কমিশনের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে পরিচালিত একটি অনুসন্ধান থেকে তাকে দায়মুক্তি দিতে তার কাছে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণে সমঝোতা করেন। তিনি ৪০ লাখ টাকার মধ্যে ২৫ লাখ টাকা ঢাকার রমনা পার্কে বাজারের ব্যাগে করে ডিআইজি মিজানুর রহমানের নিকট থেকে গ্রহণ করেন এবং অবশিষ্ট ১৫ লাখ টাকা পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে পাওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। ছেলেকে স্কুলে আনা-নেয়ার জন্য তিনি গ্যাসচালিত একটি গাড়ি দাবি করেন। এছাড়া তিনি কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অবৈধভাবে পাচার করেন।