০৪ মার্চ ২০২১
`

করোনা, ঘূর্ণিঝড়ের পর এবার আকাশে ৩ উল্কাপিণ্ড

করোনা, ঘূর্ণিঝড়ের পর এবার আকাশে ৩ উল্কাপিণ্ড - সংগৃহীত

২০২০ সালটা একেবারেই ভালো যাচ্ছে না। ইতিমধ্যেই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ, ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড়— পৃথিবীকে নানাভাবে বিব্রত হতে হচ্ছে এবছর। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। এবার পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছে ৩টি উল্কাপিণ্ড। ‘গ্লোবালনিউজ.কম'-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা জানাচ্ছে, ৬ জুন থেকে শুরু করে একাধিক উল্কাপিণ্ড পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে যাবে।

উল্কাপিণ্ড ২০০২ এনএন৪

উল্কাপিণ্ড ১৬৩৩৪৮ (উল্কাপিণ্ড ২০০২ এনএন৪) দ্রুত পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করবে। ৭.৪৮ মিলিয়ন কিমি/ঘণ্টা গতিবেগে ছুটে আসা এই উল্কাপিণ্ড ৬ জুন ৩টা বেজে ২০ মিনিটে পৃথিবীর সব থেকে কাছাকাছি থাকবে। এই উল্কাপিণ্ডটি ২৫০ মিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে। এটি প্রায় ১৩৫ মিটার চওড়া। পৃথিবী থেকে এর নিকটতম দূরত্ব পৃথিবী ও চাঁদের দূরত্বের ১৩ গুণ বেশি হবে।

উল্কাপিণ্ড ২০১৩ এক্সএ২২

এরপর পালা এই উল্কাপিণ্ডের। ৮ জুন পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করবে এটি। সোমবার ৩.৪০-এ এটি ঢুকে পড়বে পৃথিবীর চৌহদ্দিতে। উল্কাপিণ্ড ২০০২ এনএন৪-এর থেকেও পৃথিবীর বেশি কাছে আসবে এই উল্কাপিণ্ডটি। তবে এটি আকারে বেশ ছোট। লম্বার মোটামুটি ১৬০ মিটার দীর্ঘ। গতি ২৪.০৫০ কিমি/ঘণ্টা।

উল্কাপিণ্ড ২০১০ এনওয়াই৬৫

এই উল্কাপিণ্ডটি পৃথীবর কক্ষপথে প্রবেশ করবে ২৪ জুন ভোর ৬.৪৪-এ। লম্বায় ৩১০ মিটার। বাকি উল্কাপিণ্ডগুলির তুলনায় এর গতিবেগ অনেক বেশি। এর গতি ৪৬.৪০০ কিমি/ঘণ্টা।

তবে, এই উল্কাপিণ্ডগুলি পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করলেও এখনও পর্যন্ত এর থেকে পৃথিবীর কোনও ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। যদিও বিজ্ঞানীরা লাগাতার এদের গতিবিধির উপরে নজর রেখে চলেছেন।



আরো সংবাদ


পরমাণু সমঝোতাকে এগিয়ে নেয়ার একমাত্র উপায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার : ইরান মহান মুক্তিযুদ্ধে এইচ টি ইমামের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : রাষ্ট্রপতি মৃত্যুর ৬৩ বছর পর আলজেরিয়ার স্বাধীনতাকামীকে হত্যার দায় স্বীকার ফ্রান্সের এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক এক দিনের সফরে ঢাকায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আইএইএ’তে ইরানবিরোধী সম্ভাব্য প্রস্তাবকে ‘বালসুলভ’ বলল রাশিয়া ইরানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের সিদ্ধান্ত নিল আয়ারল্যান্ড জামালপুরের সেই ডিসি যে শাস্তি পেলেন এক ওভারে পোলার্ডের ছয় ছক্কা, জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ রোমাঞ্চকর জয়ে কোপার ফাইনালে বার্সা শিনজিয়াংয়ে উইঘুরদের সংখ্যা কমাতে যা করছে চীন

সকল