২২ জানুয়ারি ২০২১
`

ইরফান সেলিম ও জাহিদের ২৮ দিনের রিমান্ড শুনানী ৮ নভেম্বর

ইরফান সেলিম ও জাহিদের ২৮ দিনের রিমান্ড শুনানী ৮ নভেম্বর - সংগৃহীত

ঢাকার চকবাজার থানায় দায়ের করা অস্ত্র ও মাদকের পৃথক চার মামলায় হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদুল মোল্লার বিরুদ্ধে সাত দিন করে ২৮ দিনের রিমান্ড শুনানির ৮ নভেম্বর।

সোমবার আসামিদের গ্রেফতার দেখানোসহ রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ওইদিন আসামিরা অন্য মামলায় রিমান্ডে থাকায় তাদের আদালতে হাজির করা হয়নি। এ কারণে মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে ৮ নভেম্বর রিমান্ড শুনানীর পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।

এদিকে গত ২৯ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন দুই আসামিকে চার মামলায় গ্রেফতার দেখানোসহ রিমান্ড আবেদন করেছিলেন। কিন্তু আসামিরা অন্য মামলায় রিমান্ডে থাকায় ওইদিন রিমান্ড শুনানী হয়নি। সোমবার আদালত তাদের উপস্থিতিতে ৮ নভেম্বর রিমান্ড শুনানীর জন্য ধার্য করে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ অক্টোবর নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খান মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন। এ সময় এমপি হাজী সেলিমের ছেলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান সেলিমের গাড়িটি তাকে ধাক্কা মারে। এরপর তিনি সড়কের পাশে মোটরসাইকেল থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়ান এবং নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে ইরফানের সাথে থাকা অন্যরা একসাথে তাকে কিল-ঘুষি মারেন একপর্যায়ে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এসময় তার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।

পরে এ ঘটনায় ২৬ অক্টোবর সকালে ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী মো. জাহিদ, এ বি সিদ্দিক দিপু ও গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাতনামা দুই-তিনজনকে আসামি করে ওয়াসিফ আহমদ খান ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন। পরে ওই দিন পুরান ঢাকার বড় কাটরায় হাজী সেলিমের বাড়িতে দিনভর অভিযান চালায় র‌্যাব।

এ সময় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদক রাখার দায়ে ইরফান সেলিমকে এক বছর কারাদণ্ড দেন। ইরফানের দেহরক্ষী মো. জাহিদকে ওয়াকিটকি বহন করার দায়ে ছয় মাসের সাজা দেন। এরপর বুধবার র‌্যাব-৩ এর ডিএডি কাইয়ুম ইসলাম চকবাজার থানায় ইরফান সেলিম ও দেহরক্ষী জাহিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের পৃথক চারটি মামলা দায়ের করেন।



আরো সংবাদ