০৬ জুলাই ২০২২, ২২ আষাঢ় ১৪২৯, ৬ জিলহজ ১৪৪৩
`

ইসলামপুরে বাড়ছে যমুনা পানি, ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন

দ্বিগুণ মূল্যেও শ্রমিক পাচ্ছে না কৃষক
ইসলামপুরে বাড়ছে যমুনা পানি, ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন - ছবি : নয়া দিগন্ত

জামালপুরের ইসলামপুরে প্রায় ১৭ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ইরি-বোরো ধান চাষ হয়েছে। অতি মাত্রায় কালবৈশাখী ঝড়, অতিবৃষ্টি, শিলাবৃষ্টিসহ বৈরি আবহাওয়ার পর বন্যার পানিতে ডুবে যাচ্ছে কৃষক স্বপ্ন সোনালী ধান।

যদিও যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ১০০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবুও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে তলিয়ে যাচ্ছে কৃষকের সোনালী ধান।

উপজেলার পার্থশী ইউনিয়নের গামসরীশা গ্রামের চাষী সৈয়দুর রহমান জানান, আর তিন বিঘা জমিতে ধান রয়েছে। বাতাস-বৃষ্টিতে ধান নুয়ে পড়েছে। এখন বন্যার পানিতে ডুবে যাচ্ছে। ১২০০ টাকা কামলা (শ্রমিক) তাও পাইতেছি না। বিঘা প্রতি ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। ফলও অসতেছে না। ধানের তো দামই নাই। আমগরে লস হচ্ছে।

মুখশিমলা গ্রামের আব্দুর সাত্তার বলেন, ধানখেত ভালোই হয়েছিল। কিন্তু
আবহাওয়ার কারণে ফলন ভালো হচ্ছে না। মাঠে ধানের শীর্ষ এখন দোল খায় না। নুইয়ে পড়ছে, বন্যায়ও ডুবে যাচ্ছে। শ্রমিকের মূল্য অতিমাত্রায় বেশি হওয়ায় ধান কাটা-মাড়াই করা কঠিন হয়ে পড়েছে । তাছাড়া ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা মণ ধান অথচ চাল ৭০ টাকা কেজি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এ এম রেযোয়ান বলেন, আমি ঢাকায় প্রশিক্ষণে আছি। ক্ষয়ক্ষতির সব হিসাব আছে অফিসে। পরে দিতে পারব।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, গত ২০ ঘণ্টায় যমুনার পানি ২০
সেন্টিমিটার বাড়লেও বিপদসীমার ১০০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।


আরো সংবাদ


premium cement