০৫ ডিসেম্বর ২০২০

জামালপুরে নতুন করোনা আক্রান্ত ১২, মৃত্যু ১

-

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জামালপুরের ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে ময়মনসিংহের এস কে হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তার বাড়ি জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার কাপাসহাটিয়া গ্রামে। জামালপুরে এ নিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো চার জনে।

এদিকে, একই দিন নমুনা পরীক্ষা শেষে জামালপুরে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ নতুন করে আরো ১২ জনের দেহে করোনাভাইরাস পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে জামালপুর সদর উপজেলায় একজন চিকিৎসক ও একজন স্বাস্থ্যকর্মী, ইসলামপুর উপজেলায় একজন এবং মেলান্দহ উপজেলায় স্বাস্থ্যকর্মী ও বাবা-ছেলেসহ ৯ জন রয়েছেন। এ নিয়ে জামালপুরে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৬৯ জনে। অন্যদিকে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৮৫ জন।

বৃহস্পতিবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জামালপুরের সিভিল সার্জন ডাক্তার প্রণয় কান্তি দাস।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জামালপুর সদরে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক (৫০) ও একজন স্বাস্থ্যকর্মী।

জেলার ইসলামপুর উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ল্যাব টেকনিশিয়ান (৩৫)।

জেলার মেলান্দহ উপজেলায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে মেলান্দহ পৌর এলাকার নাগেরপাড়া গ্রামে আগে আক্রান্ত হয়ে হোম আইসোলেশনে থাকা সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগের একজন স্বাস্থ্য পরিদর্শকের সংস্পর্শে আসা ৫৯ বছর বয়সের এক ব্যক্তি এবং তার ২২ বছর বয়সের ছেলে, মেলান্দহ পৌর এলাকার উত্তর আদিপৈত গ্রামে আগে আক্রান্ত হয়ে হোম আইসোলেশনে থাকা এক পল্লীচিকিৎসকের ছেলে (৩৩), একই গ্রামের আরেক ব্যক্তি (৪৭), সরদারবাড়ি এলাকার এক যুবক (৩০), নয়ানগর ইউনিয়নের সাধুপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের নারী সিএইচসিপি (৩৩) ও একই ইউনিয়নের ফুলছেন্না গ্রামের ৬০ বছর বয়সের এক ব্যক্তি, কুলিয়া ইউনিয়নের ভালুকা গ্রামের একজন নারী (৪৩) এবং অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তি।

এব্যাপারে সিভিল সার্জন ডাক্তার প্রণয় কান্তি দাস সাংবাদিকদের জানান, জামালপুরের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টার থেকে বুধবার (২০ মে) ময়মনসিংহের এস কে হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে রেফার্ড করা করোনার রোগী আব্দুস সাত্তার (৫৫) বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে মারা গেছেন। মৃতের করোনাভাইরাসের সব উপসর্গের পাশাপাশি তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়ায় তাকে ময়মনসিংহে রেফার্ড করা হয়েছিল। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী লাশ মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের কাপাসহাটিয়া গ্রামে তার নিজ বাড়িতে দাফন করা হবে। এক্ষেত্রে আইইডিসিআরের সকল নিয়ম অনুসরণ করা হবে।

তিনি আরো জানান, এ নিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন চারজন। তাদের মধ্যে গত এপ্রিল মাসে জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় দুলাল মিয়া (৪০) নামের এক ব্যক্তি মারা যান ময়মনসিংহের এস কে হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে। এছাড়া জেলার ইসলামপুর উপজেলার গোয়ালেরচর ইউনিয়নের দুই নারী আসমা আক্তার (২৮) ও মমতা বেগমের (২৮) মৃত্যুর পর নমুনা পরীক্ষায় করোনাভাইরাস পজেটিভ ধরা পড়ে।


আরো সংবাদ

বায়তুল মোকাররমের সামনে ভাস্কর্যবিরোধীদের মিছিলে লাঠিচার্জ (৮৬৭৬)রাজধানীতে সমাবেশের অনুমতি পায়নি সম্মিলিত ইসলামী দলগুলো (৭৩৭৬)কোনো মুসলিম হিন্দু নারীকে বিয়ে করতে পারে কিনা (৬৭২২)ইরানি বিজ্ঞানী হত্যাকাণ্ডের পর এই প্রথম মুখ খুললেন বাইডেন (৬১৭৮)আওয়ামী লীগের আপত্তি, মামুনুল হকের মাহফিল বাতিল (৪৯৪৯)ভাস্কর্য, মহাকালের প্রেক্ষাপট (৪৭১৬)নাগর্নো-কারাবাখে জয় পেতে কত সৈন্য হারাতে হলো আজারবাইজানকে? (৪৫১২)আঘাত করলে পাল্টা আক্রমণ হবে : ওবায়দুল কাদের (৩১৫৯)ইরানের ৩০ শতাংশ মানুষকে কেন বিদ্যুৎ বিল দিতে হয় না? (২৬৬৮)মানুষের মতো দেখলেও তাকে যে কারণে জঙ্গলে ফল-ঘাস খেয়ে থাকতে হয় (২৪৬৪)