১৯ অক্টোবর ২০২১, ৩ কার্তিক ১৪২৮, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরি
`

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ফকির আলমগীরের দাফন সম্পন্ন


রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বরেণ্য গণসঙ্গীতশিল্পী ফকির আলমগীরের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার বাদ যোহর ১টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর খিলগাঁও মাটির মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষে খিলগাঁও তালতলা কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনেই এই দাফন সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান ফকির আলমগীরের ছেলে মাশুক আলমগীর রাজীব।

এর আগে সকাল সোয়া ১১টায় খিলগাঁওয়ের পল্লীমা সংসদ প্রাঙ্গণে ফকির আলমগীরের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং তাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর দুপুর পৌনে ১২টায় সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য তার লাশ নেয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ফকির আলমগীর শুক্রবার রাত ১০টা ৫৬ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে ফকির আলমগীরের বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

ফকির আলমগীরের জন্ম ১৯৫০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার কালামৃধা গ্রামে। কালামৃধা হাইস্কুল থেকে ১৯৬৬ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন তিনি। জগন্নাথ কলেজ (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে তিনি উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৬৬ সালে ছাত্র রাজনীতিতে যোগ দেন ফকির আলমগীর। সেই সূত্রেই গণসংগীতে আসা। ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী ও গণশিল্পী গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে তিনি ষাটের দশক থেকেই সরব হয়ে ওঠেন। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের আগে যেসব বড় আন্দোলন হয়েছিল, সেগুলোতে অসামান্য ভূমিকা রেখেছিলেন ফকির। তার কণ্ঠ বজ্র হয়ে বেজেছিল আন্দোলনের মিছিলে।

এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধে ফকির আলমগীর যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে। কণ্ঠসৈনিক হিসেবে তিনি স্বাধীনতাকামী যোদ্ধাদের মনে ছড়িয়ে দেন বিজয়ের স্পৃহা, সাহসের আলো।

দেশ স্বাধীনের পর পূর্ণাঙ্গভাবে সংগীতে মননিবেশ করেন ফকির আলমগীর। নিজেই গড়ে তোলেন ঋষিজ শিল্পী গোষ্ঠী। কেবল গণসংগীত নয়, ফকির আলমগীর স্বাধীন দেশে পপ গানের সাথে লোকজ সুরের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে নিয়মিত গান করতে থাকেন। তার গাওয়া বিখ্যাত গান ‘ও সখিনা গেছস কিনা ভুইল্যা আমারে’ বাংলার প্রতিটি মানুষের কানে বেজেছে। এছাড়া ‘নাম ছিল তার জন হেনরি’, ‘মায়ের একধার দুধের দাম’, ‘নেলসন ম্যান্ডেলা’র মতো গানগুলো উপহার দিয়েছেন।

দেশীয় সংগীতে ফকির আলমগীরের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার ১৯৯৯ সালেই তার হাতে তুলে দেয় সম্মানজনক একুশে পদক।



আরো সংবাদ


জামায়াত সেক্রেটারির বাবার দাফন সম্পন্ন কুড়িগ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত মন্দির পরিদর্শনে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার ন্যায়বিচার পাওয়ার বদলে কারাগারে যেতে হলো সোহেলকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে আগামী ৬ মাসের মধ্যে স্মার্ট কার্ড : খাদ্যমন্ত্রী খুলনায় সার্ভেয়ার অশ্বিনী রায় হত্যা : একজনের যাবজ্জীবন জাতিসঙ্ঘের তত্ত্বাবধানে জেনেভায় সিরিয়ার সংবিধান রচনায় আলোচনা শুরু বিয়ানীবাজারে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কারসহ ৩ ব্যক্তি গ্রেফতার চোরাই গাড়ি ধরতে গিয়ে পুলিশই অপহৃত! অগ্নিসংযোগ নয়, পরিমলের ঘর পুড়েছে কলা পাকানোর আগুনে তথ্য দিতে সেই ভয় পায় যে অপরাধী : র‌্যাব ডিজি সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৭ টাকা বেড়েছে

সকল