১২ জুন ২০২১
`

ফয়েজের কবিতায় ফিলিস্তিনিদের প্রতি আলী শেঠির সংহতি

ফয়েজের কবিতায় ফিলিস্তিনিদের প্রতি আলী শেঠির সংহতি - ছবি : সংগৃহীত

ও দিন কে জিস ক্যা ওয়াদা হ্যায়
জো লওহে আজল ম্যায় লিকখা হ্যায়
হাম দেখেঙ্গে
লাজিম হ্যায় কে হাম ভি দেখেঙ্গে।

অর্থাৎ ওই দিন যে সময়ের ওয়াদা করা হয়েছে, যা লওহে আজলে লেখা রয়েছে, সেদিন আমি দেখে নেবো, সেদিন আমি অবশ্যই দেখে নেবো।

১৯৭৯ সালে পাকিস্তানের বিপ্লবী কবি ফয়েজ আহমদ ফয়েজ ক্ষমতাসীন স্বৈরতন্ত্রের সমালোচনা করে লিখেছিলেন এই লাইনগুলো।  ফয়েজের এই কবিতার আবেদন ফুরিয়ে যায়নিই, বরং নতুন করে আরো জোরালো হয়েছে।

ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের সাম্প্রতিক আগ্রাসনের জেরে প্রতিবাদ উঠছে বিশ্বজুড়ে। রাজনীতিবিদ, সমাজকর্মী, সাধারণ মানুষের সাথে শিল্পীরাও ইসরাইলি আগ্রাসনের নিন্দা ও ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানাতে এগিয়ে এসেছেন তাদের মতো করেই। পাকিস্তানি সঙ্গীতশিল্পী আলী শেঠি সংহতি জানাতে ব্যবহার করেছেন ফয়েজের এই কবিতা।

নিউ ইয়র্কভিত্তিক মার্কিন সুরকার নিকোলাস জারের সাথে সমন্বয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে ‘ইয়েকজাতি ম্যায়’ (সংহতিতে) মিউজিক ট্র্যাক সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন আলী শেঠি। মিউজিকের মাঝখানে ফয়েজের ‘আজ বাজার ম্যায় পা বাজোলা চালো’ (আজ বাজারের মধ্য দিয়ে পায়ে শিকল নিয়েই চলো) কবিতারও কিছু অংশ ব্যবহার করেন তিনি। গানের শেষে আবার ‘হাম দেখেঙ্গে’ কবিতার কিছু চরণ গাওয়া হয়।

পাকিস্তানের প্রভাশালী পত্রিকা ডনের সাথে সাক্ষাতকারে আলী শেঠি বলেন, ‘ইসরাইলের দখলদারিত্বসহ আরো বিভিন্ন ঘটনার অনুপ্রাণিত হয়ে ফয়েজ ‘হাম দেখেঙ্গে’ লিখেন। ১৯৭৯ সালে তিনি বৈরুতে ছিলেন এবং সেখানেই স্বচক্ষে তা প্রত্যক্ষ করেন। আমি নিকোলাসকে এই বিষয়ে জানাই এবং তাকে বলি, আমি কিছু লাইন গেয়ে তাকে পাঠাচ্ছি। পরের দিন, সে তার মতো সুর যোগ করে আমার কাছে তা ফেরত পাঠায়।’

করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর থেকে নিউইয়র্কেই বসবাস করছেন আলী শেঠি। আগে থেকেই তিনি জারের সঙ্গীতে মুগ্ধ।

তিনি বলেন, ‘ইস্তাম্বুলের ক্লাবে, ব্রুকলিনের রাস্তায় এবং লাহোরের ছাদে আমি তার মিউজিক শুনেছি। এটি এমন যা আপনি শহুরে এলাকায় রাতে শুনবেন। ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট ও আমাদের দুই জনেরই বন্ধু সোমনাথ ভাটের মাধ্যমে আমি তার সাথে যোগাযোগ করি।’

জারের পূর্বপুরুষ ফিলিস্তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফিলিস্তিন বিষয়ক তার বিভিন্ন পোস্ট আলী শেঠির নজরে পড়ে। পরে তার সাথে যোগাযোগ করে শেঠী নতুন এই ট্র্যাকটি তৈরি করেন।

ব্রুকলিনে বাস করা মিসরিয় সঙ্গীতজ্ঞ হেবা কাদরি ট্র্যাকটি মিক্স করেন। অপরদিকে ভারতীয় নাগরিক সোমনাথ ভাট এর কভারচিত্র আঁকেন।

শেঠী বলেন, এই মিউজিক ট্র্যাক সত্যিকার ভিন্ন সংস্কৃতির সমন্বয়ের উদাহরণ।

একই ট্র্যাকে দুইটি কবিতার সমন্বয়ের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘নিকোলাস আমার কথার সাথে অপ্রচলিত ধারার মিউজিকের সমন্বয় করে। তার ধারণা ছিল, এটি গানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। তবে যেখানে মিছিলের মতো মিউজিকের বিট এসেছে, সেই জায়গায় আমি ফয়েজের দ্বিতীয় কবিতাটি দেয়ার প্রস্তাব করি।

এই মিউজিক ট্র্যাকটি ফিলিস্তিনের বেথলেহেমের রেডিও আলহারাতে প্রথম প্রচারিত হয়। পরে তা ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়েছে।

সূত্র : ডন



আরো সংবাদ


বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে তুরস্কের ২১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাবনার গণপূর্ত কার্যালয়ে আ’লীগ নেতাদের শটগান মহড়া ইসরাইলি ড্রোন তৈরির সরঞ্জাম সরবরাহকারী বিট্রিশ ফ্যাক্টরি দখলে নিয়েছে ফিলিস্তিনিরা মান্দায় আম পাড়তে গিয়ে ইউপি সদস্যের মৃত্যু তিন দিনেই ইনিংস হারলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০৩০ সালের ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সৌদি মাদারীপুরে শাজাহান খান ও আ’লীগ সভাপতি সমর্থকদের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ১৫ ইউরোপ কী চীন-বিরোধী নতুন জোটের ডাকে সাড়া দেবে? লাক্ষাদ্বীপের পরিচালক ‘দেশদ্রোহী’ নন, দাবি তুলে দল ছাড়ল একাধিক বিজেপি নেতা সামরিক শক্তি বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন কিম জং উন শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বগুড়ায় বিএনপির ৬ নেতাকে অব্যাহতি

সকল