০৯ আগস্ট ২০২২
`
সহযোগিতা করছে পুলিশ

মানিকনগরে উঠতি মাস্তানদের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

-

রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত এলাকা মানিকনগরের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পুলিশের সহায়তায় উঠতি মাস্তানদের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এককালীন মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে ফুটপাথে বসতে পারলেও প্রতিদিন বিভিন্ন খাতে চাঁদা দিতে দিতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন তারা।
ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করছেন, ঈদকে সামনে রেখে একধরনের উঠতি মাস্তানদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে চরমভাবে। সে মাস্তানদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো পুলিশের কিছু অসাধু সদস্যও মেতে উঠেছেন চাঁদাবাজিতে। বাদ পড়ছেন না বিভিন্ন মার্কেটে পজিশন নিয়ে বসা ব্যবসায়ীরাও। তাদের অভিযোগ, চাঁদাবাজদের পাশাপাশি পোশাকধারী প্রশাসনের লোকজনও চাঁদা নিচ্ছে।
মানিকনগরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কামাল উদ্দীন অভিযোগ করেন, ঈদকে সামনে রেখে এলাকার কিছু উঠতি বয়সী মাস্তানরা নতুন নতুন খাত তৈরি করে চাঁদা আদায় করছে। চাঁদা না দিলে দোকানে হামলা চালিয়ে মালপত্র তছনছ করে ব্যবসায়ীদের মারধর করছে। এসব ব্যাপারে অভিযোগ দিলেও কোনো ব্যবস্থা না দিয়ে উল্টো পুলিশের কিছু সদস্য ব্যক্তিগতভাবে চাঁদা আদায় শুরু করেছে।
তিনি বলেন, প্রায় তিন বছর ধরে মানিকনগর পুলিশ ফাঁড়িতে ইনচার্জ হিসেবে রয়েছেন মুগদা থানার নগেন্দ্র চন্দ্র দাস। প্রশাসনের লোক হয়েও তিনি একের পর এক অপরাধ করে আসছেন। চাঁদাবাজ মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নিয়ে গেলে তিনি কাউকেই সহযোগিতা করেন না। উল্টো মাস্তানদের পক্ষ নিয়ে তাদের সাথে মীমাংসা করার জন্য টাকা দিতে চাপ দিয়ে থাকেন। এরপর ব্যবসায়ী ও মাস্তান দুই পক্ষের কাছ থেকেই কমিশন খান বলেও অভিযোগ করেন কামাল।
ব্যবসায়ী আবুল কাসেম বলেন, উঠতি মাস্তানদের সাথে পাল্লা দিয়ে চাঁদা নিচ্ছে এস আই নগেন্দ্র চন্দ্র দাস। তার বিরুদ্ধে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপির কাছে বিচারের অবেদন জানিয়েছেন।
এ ব্যপারে এসআই নগেন্দ্র চন্দ্র দাস নয়া দিগন্তকে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। চাঁদাবাজি করা বা চাঁদাবাজদের মদদ দেয়ার মত কোনো ঘটনা এই এলাকায় ঘটেনি। চাঁদাবাজি নিয়ে তার কাছে কেউ কোনো অভিযোগও দেননি বলে দাবি করেন তিনি।


আরো সংবাদ


premium cement