০৭ জুলাই ২০২২, ২৩ আষাঢ় ১৪২৯, ৭ জিলহজ ১৪৪৩
`

ঢাকাসহ ৫ জেলায় বন্ধ করা অবৈধ ইটভাটার তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট

-

ঢাকাসহ পাঁচ জেলায় বন্ধ করা অবৈধ ইটভাটার তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট। জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অদিদফতরের মহাপরিচালককে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এ তালিকা দিতে বলা হয়েছে।
গতকাল বিচারপতি মো: আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ বন্ধ করা অবৈধ ইটভাটা আবার চলছে, এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
এ দিন ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে এ অভিযোগের ব্যাখ্যা শোনেন আদালত।
বায়ুদূষণ রোধে অবৈধ ইটভাটা বন্ধ না করে প্রতিবেদন দিয়ে বলা হয়েছে, বন্ধ করা হয়েছে। রিটকারী পক্ষ এমন অভিযোগ তুলে আবেদন করলে গত ২০ এপ্রিল পাঁচ জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালককে তলব করেন হাইকোর্ট। গতকাল মঙ্গলবার সে তলবে হাজির হয়ে এর ব্যাখ্যা দেন তারা।
আদালতে রিটকারী পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। পরিবেশ অধিদফতরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আমাতুল করিম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাঈনুল ইসলাম। আর ইটভাটা মালিকদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আনিক আর হক।
এ বিষয়ে মনজিল মোরসেদ বলেন, পাঁচ জেলা প্রশাসক আদালতে হাজির হয়ে তালিকা দিয়ে বলেছেন, কোনো জেলায় কতটি অবৈধ ইটভাটা আছে, কতটি তারা বন্ধ করেছেন। তারা বলছেন, ৯৫ শতাংশ অবৈধ ইটভাটা তারা বন্ধ করেছেন।
আর পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক তালিকা দিয়ে বলেছেন, ঢাকাসহ পাঁজ জেলায় ৪১১টি অবৈধ ইটভাটা আছে। তার মধ্যে ৬৫ শতাংশ বন্ধ করা হয়েছে।
আইনজীবী মনজিল বলেন, তাদের এই বক্তেব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে আমি বলেছি, আগের দেয়া হলফনামায় (ব্যাখ্যায়) তারা একই কথা বলেছিলেন। কিন্তু দেখা গেছে বন্ধ করা ইটভাটাগুলো আবার চলছে। যে কারণে আমি বলেছি যে, এ নিয়ে নাটক চলছে। এই নাটক বন্ধ হওয়ার জন্য একটা যথাযথ আইনগত পদক্ষেপ নেয়া দরকার। আইনের বিধান অনুযায়ী কোনো ইটভাটার মালিককে যদি দুই বছরের সাজা দেয়া হয় তাহলে আর সে মালিক অবৈধ ইটভাটা চালাবে না। কিন্তু তারা (জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদফতর) সেটা না করে মাত্র ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে।


আরো সংবাদ


premium cement