২২ মে ২০২২
`

ডিজিটাল মামলায় শিশুবক্তা রফিকুল মাদানীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

-

আলোচিত ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি মামলায় অভিযোগ (চার্জ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস সামছ জগলুল হোসেন আসামি পক্ষের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন।
চার্জ শুনানির জন্য এ দিন কারাগার থেকে আসামি রফিকুল ইসলাম মাদানীকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামিপক্ষে আইনজীবী সোহেল মো: ফজলে রাব্বি অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর নজরুল ইসলাম শামীম অভিযোগ গঠনের আর্জি জানান।
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একই সাথে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, আসামির বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫ ও ৩১ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। আর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, ওয়াজ মাহফিলে রফিকুল ইসলাম মাদানী রাষ্ট্রবিরোধী কথা বলেননি। যদি কেউ বলে তার বিরোধিতা করছি। এ ছাড়া তাকে বিভিন্ন থানায় নির্যাতন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন আইনজীবীরা।
গত ৩০ নভেম্বর আদালত এ মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আমলে নিয়ে অভিযোগ গঠনের জন্য এ দিন ধার্য করেন।
রফিকুল ইসলাম মাদানীকে গত বছরের ৭ এপ্রিল নেত্রকোনার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে র্যাব। সে সময় তার কাছ থেকে চারটি মুঠোফোন জব্দ ও সেগুলোতে বেশ কিছু বিদেশী পর্ণো ভিডিও পাওয়া যায় বলে জানায় র্যাব। পরদিন তাকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গাছা থানায় হস্তান্তর করে তারা। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। র্যাব-১ মামলাটির তদন্ত করে।
গাজীপুর মহানগরীর বোর্ডবাজারের কলমেশ্বর এলাকায় একটি কারখানা চত্বরে গত ১০ ফেব্রুয়ারি এক ওয়াজ মাহফিলে সরকারকে কটাক্ষ করে বক্তব্য দিয়েছিলেন রফিকুল ইসলাম মাদানী। ওই ঘটনায় ৭ এপ্রিল দিনগত রাতে গাছা থানায় র্যাব-১-এর ডিএডি আবদুল খালেক বাদি হয়ে মামলা করেন। ওই মামলায় রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫, ২৮ ও ৩১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরুদ্ধে গত ২৫ মার্চ বিক্ষোভকালে ঢাকার মতিঝিল এলাকা থেকে রফিকুল ইসলাম মাদানীকে আটক করেছিল পুলিশ। পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।


আরো সংবাদ


premium cement