০৩ মার্চ ২০২১
`

গৌরবের ১৯ বছর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

-

ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি, সাফল্য আর গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নিয়ে ১৯ বছরে পদার্পণ করেছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। বিগত বছরগুলোতে বেশ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হলেও করোনার কারণে এবার শুধু দুই দিনব্যাপী ভার্চুয়াল আয়োজনেই পালিত হবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আয়োজনের প্রথম দিনে রয়েছে ‘লাল মাটি থেকে সবুজ ক্যাম্পাস’ শীর্ষক আলোচনা ও সব ক্লাবের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানমালা। আর দ্বিতীয় দিনে রয়েছে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও ডিআইইউ অ্যালামনাইদের অংশগ্রহণমূলক অনুষ্ঠান।
শিক্ষায় বিদেশমুখিতা কমাতে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে ২০০২ সালের ২৪ জানুয়ারিতে যাত্রা শুরু করে এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে ২০ হাজার দেশী-বিদেশী শিক্ষার্থী মুখরিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল মাত্র ৬৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে। মাত্র ক’বছরেই শিক্ষার গুণগত মান ও উৎকর্ষতায় ড্যাফোডিল উঠে আসে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক মূল্যায়িত ‘মানসম্পন্ন সেরা ১০ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায়। লাভ করে দেশের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা। মর্যাদাপূর্ণ স্থান করে নিয়েছে বিশ্বস্বীকৃত সেরা ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন, কিউ এস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং ও ইউআই গ্রিন ম্যাট্রিকস র্যাংকিংয়ে। এ ছাড়া শিক্ষার গুণগত মান, গবেষণাকর্ম, গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থান, বিশ্বমানের শিক্ষা প্রদান ও পরিবেশের জন্য অর্জন করেছে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক স্বীকৃতি। দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে সর্বাধিক সংখ্যক বিদেশী শিক্ষার্থীর। অর্জন করে নিয়েছে ওয়ার্ল্ড কোয়ালিটি কমিটমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, গ্লোবাল এমিটি অ্যাওয়ার্ড, এশিয়ার শ্রেষ্ঠ বিজনেস স্কুল অ্যাওয়ার্ড। আশুলিয়ায় ১৫০ একর জায়গার ওপর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি সম্পূর্ণ আবাসিক সুবিধা সমন্বয়ে শিক্ষাকার্যক্রমও পুরোদমে চলছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪-৫ হলে প্রায় পাঁচ হাজার ছেলেমেয়ের জন্য পৃথক আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে।
বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাদান করছেন ৭৫০ জন পূর্ণ এবং ১৫০ জন খণ্ডকালীন দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক। ভর্তি প্রক্রিয়া, পাঠদান থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কর্মকাণ্ডই সফটওয়ার ও কম্পিউটারাইজেশনের আওতাভুক্ত। যুগোপযোগী তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষায় প্রশিক্ষিত করে তোলার লক্ষ্যে এখানে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে ল্যাপটপ দেয়া হয়। এখানে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে বৃত্তি দেয়া হয়। শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক সহযোগিতার জন্য সার্বিকভাবে কাজ করছে ডাইরেক্টর অব স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স (ডিএসএ)। ব্যবহারিক ক্লাসের জন্য ডিআইইউতে রয়েছে ডিজিটাল ল্যাব, কম্পিউটার ল্যাব, টেক্সটাইল, ফিজিক্স, ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ ল্যাব, সিসকো ল্যাব, মাইক্রোসফট আইটি একাডেমি, লিনাক্স, রেডহাট ও ওরাকল ল্যাব। সবমিলিয়ে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে এ বিশ্ববিদ্যালয় এশিয়ার মধ্যে হতে পারে একটি অনন্য উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও গবেষণা কর্মে সহায়তার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের জন্য রয়েছে সমৃদ্ধ লাইব্রেরি যার সব কর্মকাণ্ডই অনলাইন ও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়ে থাকে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সেশন মোট তিনটি। ফল (সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর), স্প্রিং (জানুয়ারি-এপ্রিল) এবং সামার সেশন (মে-আগস্ট)। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেইল- রহভড়@ফধভভড়ফরষাধৎংরঃু.বফঁ.নফ, ওয়েবসাইট িি.িফধভভড়ফরষাধৎংরঃু.বফঁ.নফ, এবং ফোন- ৯১৩৮২৩৪-৫, ৯১১৬৭৭৪ ও ০১৭১৩৪৯৩০৫০-৫১, ০১৭১৩৪৯৩০১৫। বিজ্ঞপ্তি।

 



আরো সংবাদ