০১ ডিসেম্বর ২০২০

‘ধর্ষণ বন্ধে ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে’ ষ

-

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রধান, আমিরে শরিয়ত আল্লামা জাফরুল্লাহ খান বলেছেন, দেশে দিন দিন যেভাবে ধর্ষণ, অপহরণ, নারী নির্যাতন ও গুম খুন বাড়ছে, তা বন্ধে কুরআনের আইনের কোনো বিকল্প নেই। স্কুল-কলেজ, ভার্সিটিগুলোতে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা না থাকার কারণে এসব অপকর্ম হচ্ছে। সরকারের উচিত দেশের স্কুল-কলেজ ও ইউনিভার্সিটিগুলোতে ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা। তবেই গুম খুন অপহরণ নারী ধর্ষণ নারী নির্যাতনসহ সব অপকর্ম বন্ধ করা সম্ভব। সরকারের উচিত ধর্ষকদের গ্রেফতার করে ঘোষিত ফাঁসির আইন প্রকাশ্যে কার্যকর করা।
গতকাল রাজধানীর পল্টনে একটি রেস্তোরাঁয় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। দলের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা সুফি কাজী আব্দুল মজিদ, মহাসচিব মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ আশরাফ, কমিটির সদস্য গোলাম মোস্তফাসহ সংগঠনের ইন্তেকাল করা নেতাকর্মীদের স্মরণে খেলাফত আন্দোলন ঢাকা মহানগর এ সভার আয়োজন করে। মহানগর আমির মাওলানা মোহাম্মদ হোসাইন আকন্দের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আলহাজ মোহাম্মদ আজম খানের পরিচালনায় সভায় বক্তৃতা করেন, খতমে নবুওয়াত সংরক্ষণ কমিটির আমির মাওলানা আব্দুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আহমাদ আলী কাসেমী, জনসেবা আন্দোলনের চেয়ারম্যান মুফতি ফখরুল ইসলাম, মাওলাসা রুহুল আমীন, মাওলানা আবুু আম্মার আবদুল্লাহ, মুফতি এনায়েতুল্লাহ প্রমুখ।
খেলাফত মজলিস : ধর্ষণ প্রতিরোধে ২১ বিশিষ্ট নাগরিকের বিবৃতিতে ধর্মীয় সভা ও মাদরাসা শিক্ষা নিয়ন্ত্রণের দাবির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে তাদের বক্তব্য প্রত্যাহারে দাবি জানিয়েছে খেলাফত মজলিস। গতকাল এক যৌথ বিবৃতিতে খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, জঘন্য অপরাধ ধর্ষণের বিরুদ্ধে তাওহিদী জনতাসহ দেশবাসী রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলেছে। সরকার ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করেছে। অথচ সেই মুহূর্তে প্রত্যক্ষ ও পরাক্ষভাবে ধর্মীয় সভা ও মাদরাসা শিক্ষা নিয়ন্ত্রণের দাবি তুলে তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা মূলত ধর্ষণকারীদের পক্ষাবলম্বন করেছে।

 


আরো সংবাদ