৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

বাজেট বাস্তবায়নে দক্ষ ব্যয় ব্যবস্থাপনায় যতœশীল হওয়ার আহবান অর্থমন্ত্রীর

-

২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেট সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক সম্পদ জোগান এবং দক্ষ ব্যয় ব্যবস্থাপনার প্রতি যতœশীল হওয়ার আহবান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
গতকাল বিকেলে অর্থ বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ চার বিভাগের সচিবদের সাথে অর্থমন্ত্রী একটি ভার্চুয়াল সমন্বয় বৈঠক করেন। বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। এখন থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি মূল্যায়নে তিন মাস পর পর চার বিভাগের সমন্বয় সভা হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
বৈঠকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব আবু হেনা মো: রহমাতুল মুনিম, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো: আসাদুল ইসলাম, অর্থসচিব আব্দুর রউফ তালুকদার এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন অংশগ্রহণ করেন। সচিবগণ আলোচনায় চার বিভাগের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। বৈঠকের শুরুতে অর্থমন্ত্রী করোনা মহামারীর মধ্যেও ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ অর্জিত হওয়ায় এবং মাথাপিছু আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে তিনি দেশবাসী ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এ চারটি বিভাগ আমরা একটি টিম হিসেবে কাজ করছি। দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির গতিধারা অক্ষুণœœ রাখার জন্য আমাদের নিবিড়ভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেট সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক সম্পদ মবিলিাইজেশন এবং দক্ষ ব্যয় ব্যবস্থাপনার প্রতি আমাদের যতœশীল হতে হবে। আমাদের কাজের অগ্রগতি মূল্যায়ন ও সব ধরনের জটিলতা নিরসনে আমরা প্রতি তিন মাস পর পর একটি সমন্বয় বৈঠক করে থাকি। কোভিড-১৯ এর কারণে গত কয়েক মাস আমরা বৈঠক করতে পারিনি। এখন থেকে নিয়মিত প্রতি তিন মাস পর পর এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। একেক সময়ে একেক বিভাগের দফতরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। কাজ করার গতি যাতে ঠিক থাকে তাই মাঝে মধ্যে আমরা আমাদের পারফরম্যান্স রিভিউ করব এবং কিভাবে আমাদের মন্ত্রণালয়কে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি সে বিষয়ে খোলামেলা আলাপ আলোচনা করব। কর্মক্ষেত্রে যদি কোনো জটিলতা তৈরি হয় আলোচনার মাধ্যমে সেগুলো সমাধান করা হবে।
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব জানান, অর্থবছরের প্রথম মাস অর্থাৎ জুলাই মাসের রাজস্ব আদায়ের হিসাব এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। তবে তুলনামূলকভাবে রাজস্ব আদায় কম হয়েছে। কিন্তু এখন যেহেতু আমদানি রফতানি বাড়ছে তাই রাজস্বও বাড়তে শুরু করেছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব বিভিন্ন আইন ও বিধিমালা সংশোধিত আকারে প্রণয়নের অগ্রগতি অবহিত করেন। অর্থসচিব বাজেট ঘাটতি ৬ শতাংশের মধ্যে রাখার নিমিত্তে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সহযোগিতা কামনা করেন। পরবর্তী বাজেট কেমন হবে, কোন কোন খাতগুলোকে প্রাধান্য দেয়া হবে সে বিষয়ে এখন থেকে কাজ শুরু করার নির্দেশনা প্রদান করা হয় বৈঠকে।


আরো সংবাদ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের (১২৯৪২)ড. কামাল ও আসিফ নজরুল ঢাবি এলাকায় অবা‌ঞ্ছিত : সন‌জিত (১১৭২৬)‘সনজিতকে ক্যাম্পাসে দেখতে চায় না ঢাবি শিক্ষার্থীরা’ (১০৩২০)এমসি কলেজে গণধর্ষণ : সাইফুরের যত অপকর্ম (৯০২০)আজারবাইজান ৬টি গ্রাম আর্মেনিয়ার দখল মুক্ত করেছে (৮৩৪১)নতুন বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র সামনে আনলো ইরান (৫৭১১)যে কারণে এই শীতেই ভারত-চীন মারাত্মক যুদ্ধের আশঙ্কা রয়েছে (৫৬৫০)অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের জানাজা অনুষ্ঠিত (৫২২৯)আজারবাইজান-আর্মেনিয়ার মধ্যে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯ (৫১৬৭)ছাত্রলীগের ঢাবি সভাপতি বক্তব্য স্পষ্টত সন্ত্রাসবাদের বহিঃপ্রকাশ (৫১৫০)