২৬ জানুয়ারি ২০২১
`

রিজেন্ট ও জেকেজি বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ব্যাখ্যা

-

রিজেন্ট ও জেকেজি সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিদফতর ব্যাখ্যা দিয়েছে। গতকাল শনিবার স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে বলা হয়েছে, যখন কোনো বেসরকারি হাসপাতাল কোভিড-১৯ রোগীদের ভর্তি করতে চায়নি তখন রিজেন্ট হাসপাতালের দু’টি শাখা কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে। মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সমঝোতাস্মারক স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেয়। স্বাস্থ্য অধিদফতর পরিদর্শনকালে রিজেন্ট হাসপাতালে চিকিৎসার উপযুক্ত পরিবেশ দেখতে পেলেও ওই ক্লিনিক দু’টির লাইসেন্স নবায়ন ছিল না দেখতে পায়। লাইসেন্স নবায়নের শর্ত দিয়ে ২১ মার্চ সমঝোতাস্মারক স্বাক্ষর করে। এই সমঝোতার আগে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক টকশো ছাড়া মো: সাহেদকে কখনো দেখেননি বলে দাবি করেছেন। সমঝোতার পর সাহেদ বেশ কয়েকবার স্বাস্থ্য অধিদফতরে এসেছিলেন। এ সময় মো: সাহেদ তার সাথে বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তির যোগাযোগ আছে এবং তার ক্লিনিকে কোন বিশিষ্ট ব্যক্তির কোভিড আক্রান্ত অত্মীয় ভর্তি আছেন সেসব কথা বলার চেষ্টা করতেন। গোয়েন্দা ও বিভিন্ন সূত্রে রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছিল। এই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে র্যাব রিজেন্টে অভিযান চালায়। উদ্দেশ্য মহৎ থাকলেও স্বাস্থ্য অধিদফতর এ ক্ষেত্রে প্রতারিত হয়েছে এবং ৭ জুলাই হাসপাতালটি বন্ধ করে দিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সমঝোতাস্মারকের আর কোনো মূল্য নেই। এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদফতর বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টি সেন্টারে ঝটিকা পরিদর্শন কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে এবং তা চলমান থাকবে।
জোবেদা খাতুন হেলথ কেয়ার (জেকেজি) সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিদফতর ব্যাখ্যা দিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের চেয়ার্যান আরিফুল হক চৌধুরীর ওভাল গ্রুপ লিমিটেড নামের একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট গ্রুপ। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা সপ্তাহ-২০১৮’র ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব পালন করে। বিএমএ’র একাধিক ইভেন্টের দায়িত্ব পালন করে। করোনা সঙ্কট শুরু হওয়ার পর আরিফুল হক চৌধুরী স্বাস্থ্য অধিদফতরে এসে বলেন, জেকেজি নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে বুথ বসিয়ে করোনার নমুনা স্বাস্থ্য অধিদফতরে পিসিআর ল্যাবে সরবরাহ করবে। এ জন্য সরকারকে কোনো অর্থ দিতে হবে না। উদ্যোগটি ভালো মনে করে জেকেজিকে কাজটি দেয়া হয়। পরে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেলে জেকেজির অনুমতি বাতিল করা হয়।

 



আরো সংবাদ