১৫ আগস্ট ২০২০

করোনাকালে চাকরি হারানোর হতাশায় আত্মহত্যা!

-
24tkt

করোনাকালে চাকরি হারিয়ে কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছেন রাজধানীর পল্লবীর এক বাসিন্দা। আনোয়ার হোসেন মান্নান (৪৫) নামের ওই ব্যক্তি গার্মেন্টকর্মী ছিলেন। অন্য দিকে চকবাজারে আসিয়া আক্তার শান্তা (২১) নামে এক গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। লাশ দু’টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গতকাল শনিবার দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পল্লবী থানার এসআই মো: নুরে আলম জানান, আনোয়ার হোসেন মান্নান পরিবার নিয়ে মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের এ ব্লকের ৫ নম্বর রোডে থাকতেন। এক ছেলে এক মেয়ের জনক মান্নান মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনের একটি গার্মেন্টে চাকরি করতেন। করোনার কারণে গত ১০-১৫ দিন আগে তার চাকরি চলে যায়। এর ফলে তার পরিবারে কিছুটা অভাব দেখা দেয়। এই মানসিক চাপে তিনি গত বুধবার বাসায় কীটনাশক পান করেন। পরে স্বজনরা তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মৃত মান্নানের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ইটাবো বাজার এলাকায়। তার বাবার নাম মৃত উকিল উদ্দিন।
অন্য দিকে চকবাজারের খাজে দেওয়ান প্রথম লেনের ২৮ নম্বর বাসায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আসিয়া আক্তার শান্তা।
চকবাজার থানার এসআই মাসুদুর রহমান জানান, চকবাজার খাজে দেওয়ান প্রথম লেনের ২৮ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলায় স্বামী আরিফুল হকের সাথে থাকতেন আসিয়া আক্তার শান্তা। এক বছর আগে তাদের বিয়ে হয়েছে। তিনি বরিশাল উজিরপুর উপজেলার আবুল কাশেম সরদারের মেয়ে। গত শুক্রবার দিবাগত রাতে খাওয়াদাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়েন তারা। ভোররাতে স্বামী আরিফুল উঠে তাকে রুমের ভেতর ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নিচে নামান। খবর পেয়ে সকাল ৯টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়। এসআই জানান, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, শান্তা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তার রাগ-অভিমান বেশি ছিল। তবুও আমরা বিস্তারিত তদন্ত করে দেখছি।


আরো সংবাদ