৩০ মে ২০২০

রোগীদের চিকিৎসায় চেম্বার খোলার অনুরোধ বাদশার

-

বিশ্বব্যাপী মহামারী রূপ নেয়ায় করোনাভাইরাস আতঙ্কে রয়েছেন চিকিৎসকরাও। এ কারণে অনেক চিকিৎসক প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ করে দিয়েছেন। পাশাপাশি বন্ধ রয়েছে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের চিকিৎসকদের চেম্বার। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীরা। তাই রোগীদের ভোগান্তি দূর করতে চিকিৎসকের চেম্বার খোলার অনুরোধ জানিয়েছেন রাজশাহী-২ (সদর) আসনের এমপি ফজলে হোসেন বাদশা। গতকাল রোববার চিকিৎসকদের পিপিই দিয়ে এ অনুরোধ জানান তিনি। সকালে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ডা: নওশাদ আলীর কাছে ৩৫ পিস পিপিই এবং সমপরিমাণ গগলস হস্তান্তর করেন বাদশা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) রাজশাহী শাখার সভাপতি ডা: এবি সিদ্দিকী, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) কেন্দ্রীয় সহসভাপতি তবিবুর রহমান শেখ, রামেকের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা: খলিলুর রহমান প্রমুখ।
বাদশা বলেন, চিকিৎসকরা সরকারি দায়িত্ব পালনের পর বিকেলে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করে থাকেন। এতে রোগীরা সেবা পান। কিন্তু করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ব্যক্তিগত সুরক্ষা না থাকার কারণে কোনো কোনো চিকিৎসক চেম্বার বন্ধ করে দেন। এতে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। এই সঙ্কট কাটতে চিকিৎসকদের পিপিই দিয়েছি। আমি বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলব। যেন সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চেম্বারে রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যায়।
বিএমএ’র জেলা সভাপতি ডা: এবি সিদ্দিকী বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমিত হওয়ার লক্ষণ জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্ট। কিন্তু এর বাইরেও অনেক রোগী আছেন। কেউ হার্টের, কেউ দুর্ঘটনার, কেউ শারীরিক অন্যান্য সমস্যায় ভুগছেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের চিকিৎসা দেয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় এসব চিকিৎসাসামগ্রী কাজে দেবে।
চিকিৎসকরা চেম্বারে বসতে পারবেন।
রামেক অধ্যক্ষ ডা: নওশাদ আলী বলেন, চিকিৎসকরা চেম্বারে না বসার কারণে এখন অনেকেই কটাক্ষ করছেন। কিন্তু ফজলে হোসেন বাদশা এমপি চিকিৎসকদের সমস্যার কথা বিবেচনা করে পিপিই দিয়েছেন। এ জন্য আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাই। এখন গণপরিবহন বন্ধ। এখানে বিভাগের অন্যান্য জেলা থেকে রোগী আসছেন না। তাই এসব পিপিই দিয়েই জেলার রোগীদের সেবা দেয়া সম্ভব হবে। এতে রোগীরা উপকৃত হবেন।


আরো সংবাদ