৩০ মার্চ ২০২০

এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি ২৩ এপ্রিল

-

ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফারমার্স ব্যাংকের ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি ২৩ এপ্রিল। গতকাল এ মামলা সংক্রান্তে চার্জ শুনানির জন্য দিন ধার্য থাকলেও কারাগার থেকে আসামি মাহবুবুল হক চিশতি ওরফে বাবুল চিশতিকে আদালতে হাজির করা হয়নি। সে জন্য মামলার নথি পর্যালোচনা করে ঢাকার বিশেষ জজ-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম উপরোক্ত মর্মে তারিখ ধার্য করেন।
অপর আসামিরা হলোÑ ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) সাবেক এমডি এ কে এম শামীম ও সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, ফারমার্স ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো: লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো: শাহজাহান, একই এলাকার বাসিন্দা নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায় এবং ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো: মাহবুবুল হক চিশতী (বাবুল চিশতী)।
উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি দুদকের দেয়া চার্জশিট আমলে নিয়ে পলাতক ১১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরে মামলায় মাহবুবুল হক চিশতীকে গ্রেফতার দেখায় দুদক। গত বছর ১০ জুলাই দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন বাদি হয়ে কমিশনের জেলা সমন্বিত কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলাটি দায়ের করেন। গত বছর ৯ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক বেনজীর আহমেদ চার্জশিট দাখিল করেন। শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহার নামে ফারমার্স ব্যাংকের মঞ্জুর করা ঋণের চার কোটি টাকা সুপ্রিম কোর্ট সোনালী ব্যাংক শাখায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার হিসাবে জমা হয়। সঞ্চয়ী হিসাব নং : ৪৪৩৫৪৩৪০০৪৪৭৫-এ জমা হওয়ার পর ওই টাকা বিভিন্ন ভাবে স্থানান্তর করে উত্তোলন করা হয়। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে নিজেরা লাভবান হতে এবং অন্যদের লাভবান করতে এ ধরনের অপরাধ করেন। তারা অবৈধভাবে ভুয়া ঋণ সৃষ্টির মাধ্যমে চার কোটি টাকা বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবে স্থানান্তর করে নগদে উত্তোলন ও বিভিন্ন পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানান্তর করেন। অর্জিত অপরাধলব্ধ আয় ও অর্থ উত্তোলন, স্থানান্তর বা রূপান্তর ও নিজ আত্মীয়ের নামীয় হিসাবে হস্তান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন। পরে সেই অর্থ নিজেদের ভোগদখলে রেখে তার অবৈধ প্রকৃতি, উৎস অবস্থান গোপন বা এর ছদ্মাবরণে পাচার করেছেন মর্মে তদন্তে প্রমাণিত হয়, যা দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২)(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।


আরো সংবাদ

পোরশায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত নিউইয়র্কে করোনায় মারা গেলেন যশোরের সোহাগ মসজিদে আযান, ইকামত, জামাত ও জুমা অব্যাহত থাকবে।: ইফা করোনা মোকাবিলায় নারী-শিশুর নিরাপত্তায় তহবিল গঠনের দাবি ১ ঘণ্টার ব্যবধানে বাবা-ছেলের মৃত্যু, এলাকাজুড়ে করোনা আতঙ্ক সুনামগঞ্জে শ্বাসকষ্টে নারীর মৃত্যু, করোনা সন্দেহে পরিবারের সদস্যরা কোয়ারেন্টিনে রাজধানীতে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ছাত্রদলের খাদ্য-সামগ্রী বিতরণ নাটোরে রসুনের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি সেনবাগ সরকারী হাসপাতালে নেই কোনো রোগী, স্বাস্থ্যসেবায় হটলাইন চালু চীনে নতুন করে আরো ৩১ জন করোনায় আক্রান্ত জামালপুরে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে ১০ বাড়ি লকডাউন

সকল