০৬ এপ্রিল ২০২০

ভয়কে জয় করতে না পারায় প্রতিবাদ গড়ে উঠছে না : আমীর খসরু

-

ভয়কে জয় করতে হবে মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সরকার আমাদের মধ্যে ভয়ের সৃষ্টি করেছে। সেই ভয়কে ভয় হিসেবে মেনে নেয়ার কারণে শক্তিশালী অবস্থানে থেকেও প্রতিবাদ করতে পারছি না।
গতকাল রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন’ আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আমীর খসরু বলেন, দেশনেত্রীর মুক্তি আজকে সবার চাওয়া। সামাজিকভাবে, রাজনৈতিকভাবে যেখানেই যাবেন, নেত্রী কবে মুক্তি পাবেন এই কথাটা আমাদের দৈনন্দিন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, আইনের শাসন শুধু নয়, তাদের (সরকার) মধ্যে যে ভয় কাজ করছে, সেই ভয়ের কারণে খালেদা জিয়ার জামিন হচ্ছে না। তারেক রহমানকে মিথ্যা মামলায় দেশের বাইরে থাকতে হচ্ছে এবং রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাদের ভয়-ভীতির প্রতিফলন ঘটছে।
খালেদা জিয়ার জামিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের জামিন হবে কি হবে না, সেটা আলোচনার বিষয় হতে পারে না। দেশের বিদ্যমান আইন হিসেবে উনার জামিন হওয়ার কথা। সেটাও বাদ দিলাম, উনার যে বয়স, উনার যে স্বাস্থ্য, যে অবস্থায় উনি আছেন, মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। সে কারণেও জামিন দেয়ার কথা। এটাও দেশের আইন। কিন্তু সেখানেও উনার জামিন হচ্ছে না।
ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক আবদুস সাত্তার পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামন দুদু, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমুখ।
আমীর খসরু আরো বলেন, আজকে খালেদা জিয়াকে জেলে যেতে হয়েছে তাদের ভয়ের কারণে। কারণ, তিনি বাইরে থাকলে তাদের বিপদ। কারণ, রাজনৈতিকভাবে তাদের পরাজিত হতে হবে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সমমানের রাজনীতিবিদ আওয়ামী লীগের তরুণ জেনারেশনের মধ্যে নাই। এমনকি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পরিবারেও নাই। সুতরাং মিথ্যা মামলা দিয়ে দেশের বাইরে রাখতে হবে তাকে। এখানেই শেষ নয়, তাদের ভয়ভীতির কারণে গুম করতে হয়, খুন করতে হয়, মিথ্যা মামলা দিতে হয় এবং রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষমতায় থাকার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে হয়।


আরো সংবাদ