০৪ এপ্রিল ২০২০
কেউ পেলেন চাকরি কেউ দোকান

চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৩১ পরিবারের পাশে ডিএসসিসি

-

চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৩১ পরিবারের পাশে দাঁড়ালো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এসব পরিবারের কাউকে চাকরি, কাউকে দোকান আবার কাউকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন গতকাল এক অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত ও হতাহত পরিবারের স্বজনদের হাতে নিয়োগপত্র, দোকানের বরাদ্দপত্র ও আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
নগর ভবনস্থ ব্যাংক ফ্লোর সেমিনার কক্ষে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ ইমদাদুল হক, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরিফ আহমেদ ও অগ্নিকাণ্ডে হতাহত স্বজনদের পরিবার।
অনুষ্ঠানে মেয়র ক্ষতিগ্রস্ত ৩১ পরিবারের মধ্যে ২১ জনকে বিভিন্ন পদে চাকরি, চারজনকে দুই লাখ করে আর্থিক সহায়তা প্রদান, দু’জনকে দোকানের বরাদ্দ প্রদান এবং উচ্চশিক্ষিত চারজনকে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি দেয়া হবে বলে জানান সাঈদ খোকন।
অনুষ্ঠানে সাঈদ খোকন বলেন, আমরা ৩১ জনের আবেদন পেয়েছিলাম, ওই আবেদনের ভিত্তিতে তাদের সহায়তা দেয়া হলো। দুর্ঘটনার দিন আমি সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে ছিলাম। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করেছি জীবন বাঁচাতে, কিন্তু পারিনি। ১৫-২০ গজ দূরে দাঁড়িয়ে মানুষগুলোর পাশে ছিলাম। আমাদের চেষ্টার কোনো কমতি ছিল না। আমার দায়িত্বের পাঁচ বছরে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়েছে। এর মধ্যে চুড়িহাট্টার দুর্ঘটনা একটি।
মেয়র বলেন, আগে জীবন, পরে জীবিকা। দক্ষিণ সিটি করপোরেশন জীবনের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীদের নিয়ে বসেছি। আলাপ আলোচনা হয়েছে, অগ্নিনির্বাপণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। আমরা যদি ঘটনা ভুলে যাই, তাহলে পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। সব সময় সতর্ক থাকতে হবে। দ্রুত পুরান ঢাকা থেকে কেমিক্যাল গোডাউন সরানো গেলে ঝুঁকি কমবে। আশা করি, শিল্প মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে ভূমিকা রাখবে।
গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে পুরান ঢাকার চকবাজারের চুড়িহাট্টা মোড়ের কাছে চারতলা ওয়াহেদ ম্যানশনে সৃষ্ট ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৭১ জনের প্রাণহানি ঘটে।


আরো সংবাদ