২৮ মার্চ ২০২০

এডিপিতে ৬২ হাজার কোটি টাকার বিদেশী সহায়তার রেকর্ড

-

সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিই (এডিপি) মূল উন্নয়ন বাজেট। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বৈদেশিক সহায়তায় রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। সরকার প্রধানের (প্রধানমন্ত্রী) নিবিড় তদারকির কারণে এই অর্থবছর ৬২ হাজার কোটি টাকার রেকর্ড বৈদেশিক সহায়তা আসছে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি)। যা আগের অর্থবছরে ছিল ৬০ হাজার কোটি টাকা। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মনোয়ার আহমেদ বলেছেন, ছয় মাসে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর অর্থব্যয় কাক্সিক্ষত হয়নি। কাক্সিক্ষত হলে আরো বৃদ্ধি পেত।
শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে গতকাল নাজিয়া সালমা কনফারেন্স হলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) আয়োজিত সাংবাদিকদের জন্য ‘ইফেকটিভ পার্টনারশিপ উইথ মিডিয়া ফর সাসটেনেবল গ্র্যাজুয়েশন’ শীর্ষক কর্মশালায় সচিব এ কথা বলেন। পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন ‘ডেভেলপমেন্ট জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ’ (ডিজেএফবি)-এর জন্য এ কর্মশালার আয়োজন করে ইআরডি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইআরডির সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী শফিকুল আযম, ইআরডির যুগ্মসচিব আব্দুল বাকি, যুগ্মসচিব ড. মো: রেজাউল বাসার সিদ্দিকী, ডিজেএফবির সভাপতি হুমায়ুন কবীর, সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান প্রমুখ।
সচিব মনোয়ার আহমেদ বলেন, ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা আমাদের বেড়েছে। এখন বাংলাদেশকে সবাই ঋণ দিতে চায়। আমাদের সরকার প্রধানের নেতৃত্বে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মডেল। উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হতে ২০২১ সালের মধ্যে যে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে তা বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই অর্জন করেছে। ‘শর্তগুলো হলোÑ মাথাপিছু আয় এক হাজার ২৪২ মার্কিন ডলার, বর্তমানে আমাদের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৯০৯ মার্কিন ডলার মার্কিন ডলার। দেশের ৬৬ শতাংশ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হওয়া, বাংলাদেশ এটি ৭০ শতাংশে উন্নীত করেছে। অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর না হওয়ার মাত্রা ৩০ শতাংশের নিচে থাকা, বাংলাদেশে তা ২৫ শতাংশ। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন দেশ এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকা জরুরি। যেটা আমাদের প্রধানমন্ত্রীর আছে। তিনি বলেন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করবে জাতিসঙ্ঘের ইকোনমিক ও সোস্যাল কাউন্সিল। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সম্ভাবনা উজ্জ্বল।
সচিব বলেন, আমাদের চ্যালেঞ্জ শনাক্ত করতে হবে। সেই অনুযায়ী কাজ করতে হবে। এই দেশ সবার। সবার উচিত সরকার প্রধানকে সহযোগিতা করা। তিনি বলেন, আমাদের পাইপ লাইনে অনেক বৈদেশিক সহায়তার টাকা আছে। এটা উন্নয়নের জন্য ভালো। বৈদেশিক সহায়তা কমেনি, বরং বেড়েই চলেছে।
ইআরডি সচিব বলেন, ২০০৯ সালে যেখানে বৈদেশিক সহায়তা ৩ বিলিয়ন ডলার ছিল। বর্তমানে তা ৭ বিলিয়ন ডলার ক্রস করেছে। সবাইকে দেশের জন্য কাজ করতে হবে। এমনভাবে রিপোর্ট করতে হবে যেন দেশের মুখ দেশে-বিদেশে উজ্জ্বল হয়।


আরো সংবাদ