২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা সহায়তায় ‘পরশ’

-

তিনবার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিবন্ধী স্কুল পরশ। কুমিল্লা শহরঘেঁষা আড়াইওরা গ্রামে অবস্থিত স্কুলটি সমাজকল্যাণ সংস্থার অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। সমাজের অবহেলিত প্রতিবন্ধীদের শিক্ষাকার্যক্রম ছাড়াও পরশ স্কুলে ফ্রি চিকিৎসাসেবা চলে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০০৮ সাল থেকে পরশ প্রতিবন্ধী স্কুল নামে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ সমাজকল্যাণ অধিদফতরের নিবন্ধনভুক্ত হয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ২০০৮ সালে সমাজকল্যাণ অধিদফতরের নিবন্ধনভুক্ত হলেও, ২০০২ সাল থেকে সমাজ উদ্যোক্তা প্রয়াত মির্জা ফাতেমা আহমেদ সমাজের অবহেলিত প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেন। এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার কারণে এ অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর এসব শিশু শিক্ষার আলো পেয়েছে। তাই এসব বিশেষ শিশুর শিক্ষাকার্যক্রম চালিয়ে যেতে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা।
এ দিকে সমাজের অবহেলিত এসব শিশুকে পড়াতে পেরে ভালো লাগার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত শিক্ষকরা।
এ ব্যাপারে পরশ প্রতিবন্ধী স্কুলের সভাপতি জহির হোসেন জানান, বর্তমানে স্কুলটিতে ৯৫ জন শিক্ষার্থী, পাঁচজন শিক্ষক ও একজন সেবাকর্মী রয়েছেন। বিদ্যালয়টির কারণে এলাকার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী শিক্ষার আলো পেয়েছে। মূলত পরিচালনা পর্ষদের বিত্তবান সদস্যদের আর্থিক সহযোগিতায় চলে স্কুলটি। বিদ্যালয়টির বেশির ভাগ শিশু বিনামূল্যে কিংবা নামমাত্র বেতন দিয়ে এখানে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
অপর দিকে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর এসব বিশেষ শিশুর শিক্ষা ও চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।


আরো সংবাদ