০৪ আগস্ট ২০২০

আন্দোলনে উত্তাল বশেমুরবিপ্রবি

ভিসির পদত্যাগ দাবি
-
24tkt

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। হাজার হাজার শিক্ষার্থীর স্লোগানে উত্তাল হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বঙ্গবন্ধু চত্বরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, ভিসি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তারা কোনোভাবেই আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়াবেন না। আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
শিক্ষার্থীরা আরো জানান, এর আগেও কয়েকবার ভিসির অপসারণের দাবিতে তারা আন্দোলন করেছিলেন। এ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে যতবার আন্দোলন হয়েছে প্রতিবারই শিক্ষার্থীদের মধ্যে কয়েকজন বিভিন্নভাবে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।
উল্লেখ্য, সহপাঠীর সাথে ফেসবুকে লেখা নিয়ে মন্তব্য করার কারণে গত ১১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাতেমা-তুজ-জিনিয়াকে সাময়িক বহিষ্কার করলে এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় ভিসির বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
এ দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যানসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ভিসির বরাবর জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে একটি লিখিত আবেদন করলে ভিসি তার বিরুদ্ধে বহিষ্কার আদেশ তুলে নেন।
ভিসির পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনে নামা আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এই ভিসি ছিলেন বিএনপিপন্থী, তিনি কী করে বঙ্গবন্ধুর নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পদে থাকেন। তিনি ছিলেন ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের সদস্য। যতক্ষণ পর্যন্ত ভিসি পদত্যাগ না করবেন ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’
এর আগে ভিসির অপসারণের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বুধবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত আন্দোলন করেন ক্যাম্পাসে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আন্দোলনের মুখে শিক্ষার্থীদের আগের ১৪ দফা দাবি মেনে নিয়ে রেজিস্ট্রার মো: নুরউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশ প্রচার করে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, ছয় মাসের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও শহীদ মিনার নির্মাণকাজ শুরু, হলে প্রতি সিটের ভাড়া ১৫০ টাকা এবং রুমের ভাড়া ৫০ টাকা করা, ভর্তি ফি সর্বমোট ১৪ হাজার টাকা এবং সেমিস্টার ফি ২ হাজার টাকা করা, বিভাগ উন্নয়ন ফি বাদ দেয়া, সাধারণ শিক্ষার্থীদের বাকস্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা এবং ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ ছাড়া বহিষ্কার না করা প্রভৃতি।
এ বিষয়ে আন্দোলনরত কৃষি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মাসুকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনের মূল দাবি ছিল ভিসির অপসারণ বা পদত্যাগ। কিন্তু এই আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ভিসিপন্থী একদল তেলবাজ ও দালাল এই ১৪ দফাকে সামনে আনেন। এই ১৪ দফা দাবি সাধারণ শিক্ষার্থীরা আগে থেকেই করে আসছিল।’
এ বিষয়ে ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমার কাছে ১৪ দফা দাবি করেছিল, আমি সাধারণ শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে ওই দাবিগুলো মেনে নিয়েছি। এরপরও এই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া কতটুকু যৌক্তিক তা আপনাদের বিবেচনার বিষয়। আর পদত্যাগ চাওয়ার বিষয়টা শুধু আমাদের এখানে নয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও হচ্ছে। মুষ্টিমেয় একটা গোষ্ঠী ঢাকা থেকে একটি ঢেউ তুলেছে যার প্রভাব গোপালগঞ্জে এসে পড়েছে।


আরো সংবাদ

হিজবুল্লাহর জালে আটকা পড়েছে ইসরাইল! (৪০৮০০)হামলায় মার্কিন রণতরীর ডামি ধ্বংস না হওয়ার কারণ জানালো ইরান (১৭৬৭১)মরুভূমির ‘এয়ারলাইনের গোরস্তানে’ ফেলা হচ্ছে বহু বিমান (১৫১৫২)আবারো তাইওয়ান দখলের ঘোষণা দিল চীন (১২২৫৮)ভারতের যেকোনো অপকর্মের কঠিন জবাব দেয়ার হুমকি দিলো পাকিস্তান (৮৯৮৮)করোনায় আক্রান্ত এমপিকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হয়েছে (৭৩০৫)নেপালের সমর্থনে এবার লিপুলেখ পাসে সৈন্য বৃদ্ধি চীনের (৭২৫১)তল্লাশি চৌকিতে সেনা কর্মকর্তার মৃত্যু দেশবাসীকে ক্ষুব্ধ করেছে: মির্জা ফখরুল (৭১৭৪)সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা : পুলিশের ২১ সদস্য প্রত্যাহার (৬৮১৬)তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে : আবহাওয়া অধিদপ্তর (৬৪২৬)