০৫ জুলাই ২০২২, ২১ আষাঢ় ১৪২৯, ৫ জিলহজ ১৪৪৩
`

মোবাইলে স্বর্ণ, কি হয় পুরনো ফোন দিয়ে?

মোবাইলে স্বর্ণ, কি হয় পুরনো ফোন দিয়ে? - ছবি : সংগৃহীত

সবগুলো মোবাইলেই থাকে স্বর্ণ। থাকে রুপা-তামাও। মোবাইল তৈরিতে প্রযোজ্য এটিও। স্বর্ণ বিদ্যুৎ সুপরিবাহী, একই সাথে সহজে ক্ষয় হয় না এর। ফলে মরিচাও পড়ে না এতে। আর এ কারণেই মোবাইলের ইন্টিগ্রেটেড সরকিট (আইসি) বোর্ডের ছোট কানেক্টরগুলোতে ব্যবহার করা হয় স্বর্ণের।

তবে এটা ঠিক যে খুবই কম পরিমাণে স্বর্ণ ব্যবহার করা হয়ে এতে। কিন্তু বিন্দু বিন্দু মিলেও তৈরি হয় অনেক বড় কিছু। আর তা দিয়েই চলে কোটি কোটি টাকার কারবার।

সাধারণ মোবাইল ফোন থেকে স্মার্টফোন বা আইফোন, সব তৈরিতেই লাগে স্বর্ণ। পরিমাণও থাকে আলাদা আলাদা। হিসেব বলছে, এক একটি ফোনে ৩৪ থেকে ৫০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত স্বর্ণ থাকে। একটি ফোনের হিসেবে স্বর্ণের পরিমাণ সামান্যই। কিন্তু এখন যে হারে বর্জ্য মোবাইলের সংখ্যা বাড়ছে তাতে সংগৃহীত স্বর্ণের পরিমাণ অনেক। আবর্জনা থেকে স্বর্ণের মতো দামী ধাতু বের করার ব্যবসা চলছে রমরমা।

সেখানে টন টন আবর্জনা থেকে এক গ্রাম স্বর্ণ পাওয়া যায়। সেখানে একটি হিসেব বলছে, ৪১টি মোবাইল ফোন থেকেই ১ গ্রাম স্বর্ণ পাওয়া যায়। যার গড় মূল্য সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা। ওই হিসেবেই দেখা গেছে, বিশ্বে প্রতি বছর বাতিল মোবাইল ফোন থেকে চার হাজার কোটি টাকার স্বর্ণ পাওয়া যায়।

যে কারণে মোবাইলে স্বর্ণের ব্যবহার করা হয়-
স্বর্ণ বিদ্যুৎ সুপরিবাহী একটি ধাতু। একই গুণ আছে রুপা ও তামায়। ফোনে স্বর্ণের কানেকটরগুলো ডিজিটাল ডাটা দ্রুত এবং যথাযথ স্থানান্তর করার জন্যও ব্যবহৃত হয়। মোবাইল ফোনের মতো, স্বর্ণ কম্পিউটার ও ল্যাপটপের আইসিগুলোতেও ব্যবহৃত হয়। আর এ ভাবেই বাতিল মোবাইল, ল্যাপটপ ইত্যাদি দিয়ে চলে বড় আর্থিক অঙ্কের কারবার।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা


আরো সংবাদ


premium cement