৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৫ অগ্রহায়ন ১৪২৮, ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি
`

বিরোধী দল চাই, রাষ্ট্রবিরোধী না : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

বিরোধী দল চাই, রাষ্ট্রবিরোধী না : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী - ছবি : সংগৃহীত

দেশে বিরোধী দল চাইলেও রাষ্ট্রবিরোধী কাউকে চান না স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল অবশ্যই থাকবে। না থাকার কোনো সুযোগ নেই। আমরা শক্তিশালী ও গঠনমূলক বিরোধীদল চাই। কিন্তু রাষ্ট্রবিরোধী, স্বাধীনতাবিরোধী ও মানুষের জন্য অকল্যাণকর দল চাই না।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরে স্থানীয় সরকার বিভাগ আয়োজিত শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে ‘শেখ রাসেল দীপ্ত জয়োল্লাস অদম্য আত্মবিশ্বাস’ শীর্ষক আলোচনাসভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, যে দল মানুষের কল্যাণে কাজ করবে, সৃজনশীল হবে, সরকারের দোষ-ত্রুটি-ভুল-ভ্রান্তি ধরিয়ে দিয়ে সরকারকে জবাবদিহির ব্যবস্থা করবে; এমন বিরোধী দল দেশে দরকার। এটা হলে সরকার তাদের দায়িত্ব পালন আরো বেশি সতর্ক হবে। কিন্তু দেশকে ধ্বংস, উন্নয়নকে ব্যাহত এবং বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে দেয় এমন বিরোধী দল না থাকাই ভালো। এটি একজন অসুস্থ মানুষও চাইবে না’ বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ সরকারের এই মন্ত্রী।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক দলের কাজ হচ্ছে দেশকে পরিচর্যা এবং মানুষের সেবা করা। ইচ্ছাকৃতভাবে দেশে অশান্তি সৃষ্টি করা নয়। আর এটা করার অধিকার কারো নেই। যত ষড়যন্ত্র করা হোক না কেন সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছে যাবো।

৭৫-এর ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার শিশু সন্তান রাসেলকে হত্যার প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, ‘রাসেল হত্যার নিষ্ঠুরতা যদি নতুন প্রজন্মের কাছে উপস্থাপন করা যায় তাহলে তারা সেদিনের নির্মমতা অনুধাবন করতে পারবে। শেখ রাসেল ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ সন্তান। সে সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মকে জানতে হবে। শেখ রাসেলের জীবনী পড়লে বর্তমান প্রজন্মের সৃজনশীলতা আরো বাড়বে।’

তিনি বলেন, ‘শেখ রাসেলকে কেন হত্যা করা হয়েছে? তার কী দোষ ছিল? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ স্বাধীন করেছেন, মানুষের মুখে খাদ্য তুলে দিয়েছেন। দেশকে সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তার জন্য কী বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে? এসব প্রশ্নে আমাদেরকে খুব ব্যথিত করে।’

স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় এলজিইডি ও ডিপিএইচই’র প্রধান প্রকৌশলী, ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এনআইএলজির মহাপরিচালকসহ স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।



আরো সংবাদ