২৭ অক্টোবর ২০২০

৭ দফা দাবিতে ফিজিওথেরাপি স্টুডেন্টদের স্মারকলিপি


বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি ভবন নির্মাণ, সরকারি প্রতিষ্ঠানের ইন্টার্ন ফিজিওথেরাপিস্টদের জন্য মাসিক ইন্টার্ন ভাতা চালু করা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইন্টার্ন ভাতা প্রদান বাধ্যতামূলক করাসহ সাত দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (বাপসু)। তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

এর আগে বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (বাপসু) বুধবার আগারগাঁও মোড় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা করে। কিছু দূর যাওয়ার পর পুলিশ পদযাত্রা আটয়ে দেয়। সেখানে থেকে বাপসুর আহ্বায়ক নুজাইম খান প্রান্তের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের প্রতিনিধি দলকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তারা সেখানে স্মারকলিপি জমা দেন। পরে শ্যামলী, শিশুমেলার সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা।

তারা বলেন, পাশকৃত ফিজিওথেরাপিস্টদের এক বছর ইন্টার্নি করতে হয়। ইন্টার্নির সময়ও তাদেরকে সরকারি ভাতা প্রদান করা হয় না। এমনকি এই করোনা মহামারির মধ্যেও ইন্টার্ন ফিজিওথেরাপিস্টরা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। তারপরেও তারা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের সরকারি ভাতা পাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত প্রায় সহস্রাধিক শিক্ষার্থী স্নাতক শেষ করে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ‘ফিজিওথেরাপিস্ট’ হিসেবে জাতির সেবায় নিয়োজিত আছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি চাকরির ব্যবস্থা হয়নি।

স্মারকলিপিতে দেয়া দাবিগুলো হলো- অতিসত্বর ‘বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি’র ভবন নির্মাণ বাস্তবায়ন করতে হবে। ভবন নির্মাণ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী ক্যাম্পাসে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে হবে। অনতিবিলম্বে সরকারি হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ফিজিওথেরাপিস্টদের প্রথম শ্রেণীর পদ সৃজন ও নিয়োগ প্রদানের আদেশ দিতে হবে। ফিজিওথেরাপি শিক্ষায় ভর্তি পরীক্ষার জন্য ন্যূনতম জিপিএ (এসএসসি+এইচএসসি) ০৯.০০ নির্ধারণ করতে হবে। একইসাথে সরকারি ও বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদফতর নিয়ন্ত্রিত ‘সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার’ মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকা বাধ্যতামূলক করতে হবে। সকল জেলা-উপজেলা পর্যায়ে স্বতন্ত্র ফিজিওথেরাপি বিভাগ ও জনবল নিয়োগ দিতে হবে এবং বাংলাদেশে ফিজিওথেরাপি শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।


আরো সংবাদ