২৯ মে ২০২০

বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারীর সর্তকতা মানছে না গির্জাগুলো

বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মহামারী সতর্কবার্তা জারি করা সত্ত্বেও খ্রিস্টান গির্জাগুলোতে তা মানা হচ্ছে না। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে যে দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে গির্জাগুলো তা অনুসরণ করছে না।

ব্রিটিশ পত্রিকা দ্যা গার্ডিয়ান বলেছে, রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে শুরু করে ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনেরিও পর্যন্ত সবগুলো গির্জার প্রায় একই অবস্থা। এসব গির্জায় ভক্তরা যেমনি শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার সতর্কবার্তা মানছেন না, তেমনি মানছেন না করোনাভাইরাসের ঝুঁকি মোকাবেলায় জারি করা অন্যান্য সর্তকবার্তা। প্রাণঘাতী এ ভাইরাস মোকাবেলার জন্য সারাবিশ্ব কার্যত লকডাউন হয়ে গেছে এবং প্রায় ৩০০ কোটি মানুষ ঘরের মধ্যে আবদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

রোববার রাশিয়ার বড় বড় গির্জাগুলোতে অর্থোডক্স খ্রিস্টানরা দলবদ্ধভাবে প্রার্থনা করেছেন এবং পাদ্রীরা এ বিষয়টির প্রতি সাফাই গেয়ে বলেছেন, তারা ধর্মীয় স্বাধীনতা ভোগ করছেন।

রোমানিয়া এবং জর্জিয়াতে অর্থোডক্স খ্রিস্টানরা একইভাবে রোববার গির্জায় গিয়ে প্রার্থনা করেছেন। আমেরিকার লুইজিয়ানা শহরেও শত শত খ্রিস্টান ভক্ত রোববার গির্জায় গিয়ে প্রার্থনা করেন।

রাশিয়ার অর্থোডক্স খ্রিস্টান নেতারা বলছেন, কোনো শহরের মেয়র গির্জাগুলো বন্ধ করে দিতে পারেন না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না ক্রেমলিন থেকে নির্দেশনা আসবে তখন তারা তাদের ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করে যাবেন।

তবে রোববার খ্রিস্টান নেতা পেট্রিয়ার্স কিরিল মস্কোয় বলেছেন, করোনাভাইরাসের দুর্যোগের মুহূর্তে ভক্তদের গির্জায় যাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।

করোনা সংক্রমণের প্রথম দিকে ক্যাথলিক খ্রিস্টান অধ্যুষিত পোল্যান্ডে একসাথে গির্জায় জমায়েতের সংখ্যা ৫০-এ সীমাবদ্ধ করা হয়েছিল এবং গত সপ্তাহে তা পাঁচজনে সীমিত করা হয়।

এদিকে, ভ্যাটিকানের পোপ ফ্রান্সিসকে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করা হলেও তার ভেতরে এ ভাইরাসের কোনো সংক্রমণ পাওয়া যায়নি। ভ্যাটিকান সিটিতে এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে ছয়জন আক্রান্ত হয়েছেন। পার্সটুডে।


আরো সংবাদ