০৪ এপ্রিল ২০২০

হজযাত্রীর টাকা হজের কাজ ছাড়া ব্যয় করতে পারবে না এজেন্সিগুলো

হজযাত্রীর টাকা হজের কাজ ছাড়া ব্যয় করতে পারবে না এজেন্সিগুলো - সংগৃহীত

চলতি বছর হজে যাওয়ার জন্য হজযাত্রীদের দেয়া অর্থ বেসরকারি এজেন্সিগুলো হজের কাজ ছাড়া অন্য কোনো ভাবে ব্যয় করতে পারবে না। এজেন্সিগুলোর নামে ‘হজযাত্রীর নিবন্ধন হিসাব’ থেকে কোনো টাকা উত্তোলন করা যাবে না মর্মে অফিস আদেশ জারি করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

সোমবার জারি করা এই আদেশে বলা হয়েছে, নিবন্ধনের সময় হজযাত্রীদের কাছ থেকে নেয়া বিমান ভাড়া ও সার্ভিস চার্জ বাবদ গ্রহণ করা অর্থ বিমানের টিকিট ক্রয়ের জন্য এয়ারলাইন্স বরাবর পে-অর্ডার এবং আন্তর্জাতিক ব্যাংক হিসাব মাধ্যমে (আইবিএএন) সৌদি আরবে প্রেরণ ব্যতীত স্থানান্তর বা উত্তোলন করা যাবে না।

গত ২ মার্চ থেকে বেসরকারি এজেন্সিগুলোর চলতি বছরের হজ কার্যক্রম শুরু হয়েছে উল্লেখ করে আদেশে বলা হয়, নিবন্ধনের সময় হজযাত্রী কর্তৃক জমার্কত অর্থ কোনো খাতে ব্যয় করা যাবে না। ২০২০ সালের হজে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি এজেন্সিকে শুধুমাত্র একটি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। হজ কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী এজেন্সিকে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে নির্দিষ্ট ব্যাংকের হজযাত্রী নিবন্ধন হিসাব নম্বর ধর্ম মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে।

এর আগে হজ এজেন্সিস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) বৃহস্পতিবার রাতে দেয়া এক চিঠিতে হজযাত্রীদের নিবন্ধনের টাকা সৌদি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত সৌদি আরবে বাড়ি ভাড়া বা অন্য কোনো খাতে ব্যয় না করার অনুরোধ জানায়।

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের কারণে আসন্ন হজের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা থাকায় হজের টাকা যাতে এজেন্সিগুলো না ব্যয় করে তার জন্য হাব ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এসব নির্দেশনা দেয়া হলো। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে একদফায় ১০দিন সময় বাড়ানোর পরও হজযাত্রীদের নিবন্ধন হয়েছে কোটার মাত্র ২০ শতাংশ।
সোমবার পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে মোট নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যা ২৮ হাজার ১৫ জন। এ বছর বাংলাদেশের হজযাত্রীর কোটা ১ লাখ ৩৮ হাজার ১৯৮ জন। প্রাক-নিবন্ধিত হজযাত্রীদের প্রথম ক্রম থেকে দেয়া নির্ধারিত হজযাত্রীর মূল নিবন্ধনের বর্ধিত সময় শেষ হবার কথা বুধবার। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৩০জুলাই এ বছরের হজ পালিত হওয়ার কথা।


আরো সংবাদ