৩০ মার্চ ২০২০

করোনাভাইরাসের কথা শোনে পালালো ধর্ষক

করোনাভাইরাসের কথা শোনে পালালো ধর্ষক - ছবি : সংগৃহীত

করোনা ভাইরাসের জেরে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত অন্তত ৫৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বজনহারাদের বেদনায় থমথমে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হওয়া চিনের ইউহান। তবে মারণ চীনা ভাইরাসই রক্ষা করল এক তরুণীর সম্ভ্রম। কীভাবে ভাবছেন তাই তো? করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বলতেই তরুণীকে ছেড়ে পালাল ধর্ষণের চেষ্টা করা এক ব্যক্তি। যদিও পরে পুলিশের কাছে ঘটনার অভিযোগ দায়ের করেন তরুণী। তার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।

শুধুমাত্র উপস্থিত বুদ্ধির জোরেই বিকৃতকাম ওই ব্যক্তির হাত থেকে রক্ষা পেলেন তিনি। ঠিক কী করেছিলেন ওই তরুণী? চীনের জিংসানের বাসিন্দা ওই তরুণী দিনকয়েক আগে বাড়িতে একাই ছিলেন। সেই সুযোগে তার বাড়িতে ঢুকে পড়েন জিয়াও নামে এক ব্যক্তি। তরুণীকে ভয় দেখিয়ে বাড়িতে লুটপাটও চালায় সে। তবে তারপরেও শান্তি হয়নি। লুটপাটের পরই ওই ব্যক্তির বিকৃতকাম জেগে ওঠে। তরুণীকে ধর্ষণ করতে উদ্যত হয় সে। চিৎকার চেঁচামেচি করতে শুরু করেন তরুণী। তবে তাতেও কিছু যায় আসে না বিকৃতকামের। পরিবর্তে ক্রমশই সে ধর্ষণে উদ্যত হয়ে ওঠে। তরুণী বুঝতে পারেন এভাবে তিনি ধর্ষকের হাত থেকে রক্ষা পাবেন না। কান্নাকাটি ছেড়ে কাশতে শুরু করেন তরুণী। ওই ব্যক্তিকে বলেন, ‘আমি সম্প্রতি ইউহান থেকে ফিরেছি। আমি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। সংক্রমণের আশঙ্কায় পরিজনেরাও আমার সাথে থাকছেন না। তাই আমি একাই বাড়িতে আছি।’

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে এখন কাঁটা চীনা নাগরিকরা। বিকৃতকামী ওই ব্যক্তিও সমানভাবেই মারণ চীনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত। তাই তরুণীর কথা বিশ্বাস করে নেয় অভিযুক্ত। তড়িঘড়ি তরুণীকে ছেড়ে দেয় সে। লুট করা মোবাইল, টাকাপয়সা নিয়ে পালায় জিয়াও। পরে যদিও থানায় গিয়ে গোটা ঘটনার অভিযোগ জানান তিনি। তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। প্রথমে কিছুতেই নিজের কৃতকর্মের কথা স্বীকার করতে চায়নি জিয়াও। যদিও পরে টানা পুলিশি জেরায় ভেঙে পড়ে সে। নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করে নেয় অভিযুক্ত।


আরো সংবাদ