০৭ অক্টোবর ২০২২, ২২ আশ্বিন ১৪২৯, ১০ রবিউল আওয়াল ১৪৪৪ হিজরি
`

মলিন মুখে ফোটে না হাসি, জোটে না মায়ের আদর


মা...। মধুর ডাকের সাথে জড়িয়ে থাকে আদর, ভালোবাসা আরো কত কী! মায়ের কাছে শত শত বায়না! সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে নিজের সবটুকু দিয়ে তা পূরণ করেন মা। কিন্তু সবার ভাগ্যে যে এমন মা জোটে না। তাই সন্তানের মলিন মুখে ফোটে না হাসি।

অবরুদ্ধ গাজায় তিন ব্যাঘ্র শাবকের ভাগ্যটাও এমন। জন্মের পর থেকে ওরা পায়নি মায়ের আদর। খেতে পায়নি এক ফোটা দুধও। দূর দূর করে ওদের তাড়িয়ে দিয়েছে মা। ফলে ওদের বাঁচাতে লড়াই করছেন চিড়িয়াখানার কর্মীরা।

গাজার তারফিহি চিড়িয়াখানার কর্মী আব্দুল হাদি হামুদ আনাদোলু এজেন্সিকে জানান, বাঘিনীরা অনেক সময় শাবকদের দুধ খাওয়াতে চায় না। ফলে শাবকদের বাঁচিয়ে রাখা কষ্টকর হয়ে যায়।

তিনি জানান, গত সাত বছরে প্রায় ৮০টি ব্যাঘ্র শাবক মারা গেছে। কারণ মায়ের দুধ ওদের জোটেনি অথবা জন্মের কয়েক ঘণ্টা পর জন্মদাত্রী ওদের কামড়ে খেয়েছে।

কর্মকর্তারা জানান, একজন ব্যাঘ্র শাবকের প্রতি ঘণ্টায় মায়ের দুধ খাওয়ার প্রয়োজন হয়। কিন্তু বাঘিনী তা করলে তারা বিকল্প ব্যবস্থা করেন। কিন্তু তাতে কাজ হয় না।

তারা বলেন, ‘আমরা ব্যাঘ্র শাবকদের বিড়াল, কুকুর এবং ভেড়ার দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করি। কিন্তু তাতে কাজ হয় না। দেখা যায়, ঘণ্টাখানেক বা দিন কয়েক পর ওরা মারা যায়।’

সূত্র : মিডল ইস্ট মনিটর


আরো সংবাদ


premium cement