০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৬ অগ্রহায়ন ১৪২৮, ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি
`

বৈরুতে গোলাগুলির ঘটনায় গ্রেফতার ১৯

বৈরুতে গোলাগুলিতে নিহতদের লাশ দাফনের জন্য নেয়া হচ্ছে - ছবি : এএফপি

লেবাননের রাজধানী বৈরুতের রাস্তায় গোলাগুলির ঘটনায় ১৯ জনকে গ্রেফতার করেছে লেবাননের নিরাপত্তা বাহিনী। শুক্রবার লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি এই খবর জানায়।

খবরে জানানো হয়, গত বৃহস্পতিবার বৈরুতের তাইওনেহ-বাদারো এলাকার রাস্তায় গোলাগুলির জন্য দুই সিরীয় নাগরিকসহ গ্রেফতার ১৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার বৈরুত বিস্ফোরণের তদন্ত দলের প্রধান হিসেবে বিচারপতি তারেক বিতারকে বহাল রাখায় ক্যাসেইশন কোর্টের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে লেবাননের সশস্ত্র রাজনৈতিক দল হিজবুল্লাহ ও আমাল এক বিক্ষোভ মিছিল বের করে। দল দুইটি ওই বিচারপতিকে 'পক্ষপাতদুষ্ট' হিসেবে অভিযুক্ত করছে।

ওই মিছিলের ওপর লক্ষ্য করে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা গুলি শুরু করলে মিছিলে থাকা হিজবুল্লাহ ও আমালের বন্দুকধারী সদস্যরা পাল্টা গুলি করা শুরু করে।

গোলাগুলিতে বৃহস্পতিবার মোট ছয়জন নিহত হয়। পরে শুক্রবার আহতদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়ায়।

এদিকে শুক্রবার গোলাগুলিতে নিহতদের স্মরণে লেবাননজুড়ে শোক পালন করা হয়। শোক পালনের অংশ হিসেবে দেশটির সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, ব্যাংক ও সরকারি দফতর বন্ধ ছিলো।

গত বছরের ৪ আগস্ট তারিখে লেবাননের বৈরুত বন্দরে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। বন্দরের ১২ নম্বর ওয়্যারহাউজ গুদামে অবহেলার সাথে সংরক্ষিত অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট থেকে সংগঠিত এই বিস্ফোরণে বন্দর সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যায়। বিস্ফোরণে দুই শ'র বেশি মানুষ নিহত ও ছয় হাজার মানুষ আহত হয়। পুরো বন্দর বিধ্বস্ত হওয়ায় দেশটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পথ প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

বৈরুত বন্দরে ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় দেশটির বিচার বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে। বিস্ফোরণের ঘটনার সাথে হিজবুল্লাহর সংযোগের কথা বলা হলেও দলটি তা অস্বীকার করছে।

তদন্ত দলের প্রধান তারেক বিতার বিস্ফোরণের ঘটনার জন্য হিজবুল্লাহর ঘনিষ্ঠ লেবাননের সাবেক দুই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। হিজবুল্লাহ এই ঘটনার প্রতিবাদ করে আসছে।

সূত্র : টিআরটি ওয়ার্ল্ড



আরো সংবাদ