১৯ অক্টোবর ২০২১, ৩ কার্তিক ১৪২৮, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরি
`

ইয়েমেনের দ্বীপগুলোতে ইসরাইলি গোয়েন্দা

সুকোত্রা দ্বীপের ড্রাগন ব্লাড ট্রি - ছবি : সংগৃহীত

তেহরানে নিযুক্ত ইয়েমেনের হাউছি সরকারের রাষ্ট্রদূত ইব্রাহিম মোহাম্মদ আল দাইলামি বলেছেন, ইয়েমেনের ভূমিতে ইসরাইলিরা অবস্থান করছে। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ইয়েমেনি দ্বীপগুলোতে ইসরাইলি গোয়েন্দাদের আনাগোনা বেড়েছে। সম্প্রতি এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে মিডলইস্ট মনিটর।

তেহরান টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইব্রাহিম মোহাম্মদ আল দাইলামি বলেন, ইসরাইলিরা ইয়েমেনের আরব সাগরস্থ হানিশ, মায়ুন ও সুকোত্রা নামের দ্বীপগুলোতে অবস্থান করছে। তাদের এ ধরনের উপস্থিতি একসময় আর গোপন থাকবে না। ইয়েমেনের ভূমিতে তাদের এ সামরিক অবস্থানের বিষয়ে এ আগ্রাসী শক্তিগুলোর কোনো ধরনের লজ্জা নেই। এখন ইয়েমেন সরকারের প্রধান কাজই হচ্ছে দেশ থেকে বিদেশী সেনাদের বিতাড়িত করা। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, সৌদি আরব, আরব আমিরাত ও ইসরাইলসহ সকল আগ্রাসী শক্তিকে বিতাড়িত করা হবে।

ইয়েমেনের হাউছি সরকারের রাষ্ট্রদূতের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনের লাহজ প্রদেশের আল-আনাদ বিমানঘাঁটি নিয়ন্ত্রণ করছে। ইয়েমেনের মাহরা বিমানবন্দর নিয়ন্ত্রণ করেছে সৌদি আরব। এছাড়া তিনি আরো দাবি করেছেন যে ওমান সীমান্তের কাছে মাহরা প্রদেশে ব্রিটেনের সামরিক উপস্থিতিও দেখা গেছে। যদিও আরব আমিরাত সামরিকভাবে পরাজিত হচ্ছে তবুও তারা সুকোত্রা দ্বীপ, হাদরামৌত প্রদেশের মুকাল্লা বিমানবন্দর ও এডেন বিমানবন্দরের তাদের সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে।

সানাভিত্তিক ইয়েমেন সরকারের দাবি, আরব আমিরাত সুকোত্রা দ্বীপ ও বাব আল-মান্দেব প্রণালীতে সামরিক কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং অবৈধভাবে ইসরাইলিদের (গোয়েন্দা) সুকোত্রা দ্বীপে প্রবেশ করতে দিচ্ছে। আব্রাহাম অ্যাকোর্ড চুক্তির পর ইসরাইল ও আরব আমিরাত তাদের সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে। এখন তারা পরস্পরের মিত্র। এ দু’দেশ সুকোত্রা দ্বীপে গোয়েন্দা ঘাঁটি নির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে।

এদিকে ইয়েমেনের হাউছি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ নেতা আবদুল মালিক আল-হাউছি বলেন, সৌদি আরব ও আরব আমিরাত নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের দেশগুলো গোপনে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মিত্রতা করছে। তারা মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে সঙ্ঘাতে লিপ্ত। এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে সৌদি আরবের শাসকরা ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে জোট করেছে।

সূত্র : মিডলইস্ট মনিটর



আরো সংবাদ