২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

ইসরাইল-আমিরাতের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের নাটকীয় ঘোষণা

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও আবুধাবীর ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ আল নাহিয়ান - ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাত দুই দেশের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক স্থাপনে রাজি হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ আল নাহিয়ান এক যুক্ত বিবৃতিতে জানিয়েছেন, "এই ঐতিহাসিক অগ্রগতি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির অগ্রযাত্রায় সাহায্য করবে" বলে তারা আশা করেন।

তারা জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্কের বিনিময়ে ইসরাইল পশ্চিম তীরের বিশাল ফিলিস্তিনি এলাকা ইসরাইলের অংশ করে নেয়ার কাজ আপাতত স্থগিত রাখবে।

ইসরাইলের সঙ্গে এত দিন পর্যন্ত কোনো উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিল না।

তবে ঐ অঞ্চলে ইরানের প্রভাব বাড়তে থাকায় উদ্বিগ্ন সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরাইলের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ বাড়াচ্ছিল।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর নেতানিয়াহু হিব্রুতে টুইট করেছেন, "এক ঐতিহাসিক দিন" বলে।

যুক্তরাষ্ট্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ আল ওতাইবা বলেছেন, "এটি ঐ অঞ্চলে কূটনীতির বিজয়।"

তিনি একে আরব-ইসরাইল সম্পর্কে এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি বলে বর্ণনা করে বলেন, এর ফলে উত্তেজনা কমবে এবং অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন হবে।

এটি ইসরাইলের সঙ্গে তৃতীয় কোনো আরব রাষ্ট্রের শান্তি চুক্তি। এর আগে মিসর ১৯৭৯ সালে এবং জর্ডান ১৯৯৪ সালে ইসরাইলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করে।

সামনের দিনগুলোতে ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরা বিনিয়োগ, পর্যটন, সরাসরি ফ্লাইট, নিরাপত্তা, টেলিযোগাযোগ, জ্বালানি, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি সহ নানা বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করার জন্য বৈঠকে বসবেন।
সূত্র : বিবিসি


আরো সংবাদ