০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ২১ অগ্রহায়ন ১৪২৯, ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরি
`

রাবি অধ্যাপক তাহের হত্যা : এক আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় রিভিউর শুনানি ১৭ নভেম্বর


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের হত্যা মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের মৃত্যুদণ্ড বহালের রায় রিভিউ’র আবেদন শুনানির জন্য ১৭ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্ট বিচারপতি বোরহান উদ্দিন বিষয়টি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে শুনানির জন্য এই দিন ধার্য করে আদেশ দেন।

আজ বৃহস্পতিবার নিহত অধ্যাপক তাহেরের কন্যা সুপ্রিমকোর্টের অ্যাডভোকেট সেগুফতা তাবাসসুম আহমেদ এ কথা জানান।

অধ্যাপক ড. এস তাহের হত্যা মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও বাসার কেয়ারটেকার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের মৃত্যুদণ্ড বহালের রায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীসহ রায় প্রদানকারী আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির স্বাক্ষরের পর ৬৮ পৃষ্ঠায় দেয়া রায়টি প্রকাশ করা হয়েছে। আপিল বিভাগ রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেছে, ড. তাহের বেঁচে থাকলে অধ্যাপক হতে পারবেন না, এমন আশঙ্কা থেকে খুন করেন মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

শুনানি শেষে গত ৫ এপ্রিল অধ্যাপক ড. এস তাহের হত্যা মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও বাসার কেয়ারটেকার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বহাল রেখে রায় দেয় আপিল বিভাগ। এরপর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হলো।
অ্যাডভোকেট সেগুফতা বলেন, ‘আমরা রায়ের সার্টিফাইড কপি হাতে পেয়েছি। এক আসামি ওই রায় রিভিউ চেয়ে আবেদন করেছে।’

রায়টি ঘোষণার পর অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ‘ড. তাহের হত্যা ছিল ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড। রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। এ রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হল। এর মাধ্যমে অন্যদের কাছেও বার্তা যাবে যে, এ ধরনের জঘন্য অপরাধীদের ছাড় নেই।’

ড. এস তাহেরের স্ত্রী সুলতানা আহমেদ বলেন, ‘১৬ বছর ধরে অপেক্ষা করছি। আপিল বিভাগ আজ আসামিদের সাজা বহাল রেখেছে। আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি। রায় কার্যকর হলে আমরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট হবো।’

অধ্যাপক ড. তাহের হত্যা মামলায় ২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুতবিচার আদালত চারজনকে মৃত্যুদণ্ড ও দু’জনকে বেকসুর খালাস দেয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা হয়।

২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগ দুই আসামির ফাঁসির দণ্ড বহাল রাখে এবং অন্য দুই আসামির দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেয়। এ রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল করে। পরে আপিল বিভাগ হাইকোর্ট বিভাগের রায় বহাল রাখে।

২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকার ম্যানহোল থেকে উদ্ধার করা হয় অধ্যাপক ড. তাহেরের লাশ। এর দুই দিন পর ওই বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি নিহতের ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।


আরো সংবাদ


premium cement
সিদ্ধিরগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ, হাসপাতালে গৃহবধূর মৃত্যু বিদেশী বিনিয়োগের আদর্শ জায়গা বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জে আগুনে পুড়ে পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু বরগুনায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও যুগ্ম সম্পাদককে গ্রেফতার কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত মিরসরাইয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত ১ নতুন বছরের ‘শুরুতেই’ দ্বিতীয় মেয়াদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বাইডেন হারের পর জরিমানাও গুণতে হলো ভারতকে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর ছাত্রলীগের সম্মেলন শুরু চীনে জনবিক্ষোভের প্রতি তাইওয়ানের সমর্থন তেলের দাম বেঁধে দিয়ে রাশিয়াকে বাগে আনা কতটা সম্ভব হবে

সকল