২৮ অক্টোবর ২০২১
`
সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি

পোশাক শিল্পে বিপর্যয়, পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলারের রফতানি আদেশ বাতিল বা স্থগিত

-

দেশের সম্ভাবনাময় তৈরী পোশাক শিল্প কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে ব্যবসা সহজীকরণ জরুরি মন্তব্য করে বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেছেন, করোনা ভাইরাসজনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের তৈরী পোশাক শিল্প চরম বিপর্যয়ে পড়েছে। বন্ধ হয়েছে বহু কারখানা। বহির্বিশ্বের ক্রেতারা পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলারের রফতানি আদেশ বাতিল বা স্থগিত করেছেন। চট্টগ্রামের বিভিন্ন পোশাক কারখানার এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি আদেশ বাতিল বা স্থগিত হয়েছে। তবুও তৈরী পোশাক শিল্প ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। বর্তমানে মিয়ানমারের অশান্ত পরিস্থিতির কারণে অর্ডারও বাড়ছে। কিন্তু দ্রুততম সময়ে পণ্য রফতানি করতে না পারলে তা ধরে রাখা যাবে না। গত শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামস্থ বিজিএমইএ ভবনের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ব্রান্ডিং ছাড়া পোশাক শিল্পকে টিকিয়ে রাখা যাবে না। প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক এ শিল্পকে এগিয়ে নিতে। চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর ও আনোয়ারা ইকোনমিক জোনে পোশাক শিল্পের কারখানা স্থাপনে স্বল্পমূল্যে ভূমি বরাদ্দ, সহজ ও স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণ দেওয়া, চট্টগ্রামে কিছু ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় স্থাপন, চট্টগ্রামস্থ আমদানি রফতানি নিয়ন্ত্রকের দফতর, বস্ত্র অধিদফতর, ইপিবি, বিনিয়োগ বোর্ড, জয়েন্ট স্টক কোম্পানিকে সমস্যা সমাধানে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ক্ষমতায়ন, শাহ আমানত বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক কানেকটিভিটি বৃদ্ধির আহ্বান জানান তিনি।
লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত চার হাজার ৭০০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দুই হাজার ৭৩৪টি বন্ধ হয়ে গেছে। বাকি এক হাজার ৯৬৬ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এক হাজার ৬০০টি আমদানি-রফতানি কাজে নিয়োজিত আছে। চট্টগ্রামে ৬৭৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বন্ধ ৩৯৮টি, আমদানি-রফতানি কাজে নিয়োজিত আছে ১৯০টি। করোনা পরিস্থিতিতে গত বছরের মার্চ থেকে আগস্টের মধ্যে ঢাকায় ২৮১টি ও চট্টগ্রামে ৩০টি পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে বলেও বিজিএমইএর পক্ষ হতে জানানো হয়।
মতবিনিময় সভায় বলা হয়, নব্বইয়ের দশকে তৈরী পোশাক রফতানিতে চট্টগ্রামের ৩৯ শতাংশ অংশগ্রহণ থাকলেও গ্যাস, বিদ্যুৎ সঙ্কট অবকাঠামোগত বিভিন্ন সমস্যার কারণে বর্তমানে ১৫ শতাংশে নেমে এসেছে।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, দেশের আমদানি- রফতানির ৮০ শতাংশ চট্টগ্রামের মাধ্যমে হলেও চট্টগ্রাম যতটা প্রসারিত হওয়ার কথা ছিল ততটা হয়নি বরং চট্টগ্রামের সম্ভাবনার ক্ষেত্রগুলো সঙ্কুচিত হয়ে আসছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি নাসিরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, মঈনুদ্দিন আহমেদ মিন্টু, সাহাবুদ্দিন আহমেদ, এস এম আবু তৈয়ব, এম এ সালাম, সহসভাপতি রকিবুল আলম চৌধুরী, পরিচালক এম আহসানুল হক, এ এম শফিউল করিম খোকন, তানভীর হাবিব, মেরাজ ই মোস্তফা কায়সার, মো: হাসান জেকি প্রমুখ।
এই শিল্পের অগ্রগতির পথে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করার আহ্বান জানিয়ে বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দ বলেন, আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী চায়না ও ভিয়েতনামের সক্ষমতার সাথে তুলনা করলে আমরা অনেক পিছিয়ে রয়েছি।



আরো সংবাদ


সকল

সাইফউদ্দিনের বিশ্বকাপ শেষ, দলে ফিরলেন রুবেল (২৪১৭৬)প্রয়োজনে সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর (১৭৪০৭)কাঁচপুরের বিশাল কারখানা বন্ধের পেছনে কারণ কী? (১৪৪৮৪)কেন ওভারটোন সেতুতে আত্মহত্যা করে কুকুররা (১৩৬২১)স্ত্রীকে বিক্রি করে স্মার্টফোন কিনল নাবালক স্বামী! (১২৫৩৮)পাকিস্তান জেতায় লাভ ভারতীয়দের! (১১৩৩৩)ওয়াকার ইউনিসের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ভারতীয় সাবেক ক্রিকেটার (৭৯৫৪)নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের জয়ে ভারত আরো চাপে! (৭৬৭৪)ভারতে ফের ডুবোজাহাজের তথ্যপাচার, ৩ নৌ-কর্মকর্তা গ্রেফতার (৬৭৩৯)নির্বাচনের বিষয়ে বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নেবেন : ডিকসন (৬৬৬৪)