২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭ আশ্বিন ১৪২৮, ১৪ সফর ১৪৪৩ হিজরি
`

উচ্চশিক্ষিত তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা সোহেল রানার গল্প

উচ্চশিক্ষিত তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা সোহেল রানার গল্প -

লেখাপড়া করেছেন পরিসংখ্যানে। রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স শেষে সাংবাদিকতা করেছেন কিছু দিন। এখন তিনি পুরোদস্তুর একজন কৃষক। শুধু কৃষক বললে ভুল হবে। তরুণ উদ্যোক্তাও যাকে অনুসরণ করছেন অনেক তরুণ থেকে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কৃষক। তার বাগানে বর্তমানে আম, বরই, পেয়ারা, বিভিন্ন জাতের মসলা, ফুলসহ প্রায় ৩০০ জাতের গাছ রয়েছে। আটত্রিশ বছরের এই তরুণ কৃষকের নাম সোহেল রানা। নওগাঁ জেলার পতœীতলা উপজেলার দিবর ইউনিয়নের রূপ গ্রামের কৃষক আজিজার রহমানের ছেলে। স্থানীয় কৃষি বিভাগ বলছে, সোহেল রানার সমন্বিত কৃষি খামার এখন এলাকার শিক্ষিত বেকার যুবকদের অনুপ্রেরণার উৎস এবং মডেল উদ্যোগ। বাগান থেকে এখন তার বছরে আয় প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। তার খামারের ফসল রফতানি হচ্ছে বিলেতেও।
নিম্ন-মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারের ছেলে সোহেল রানা কিছু দিন ঢাকায় চাকরি করার পর নিজ গ্রামের খাড়িপাড়া এলাকায় পৈতৃক ১২ বিঘা জমির ওপর গড়ে তোলেন সমন্বিত কৃষি খামার। নাম দেন ‘রূপগ্রাম এগ্রো ফার্ম’। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মেধা, পরিশ্রম আর মনোবলের কারণে তিনি এখন প্রায় দেড় শ’ বিঘা জমিতে পৃথক দু’টি সমন্বিত কৃষি খামার গড়ে তুলেছেন। এই খামার থেকে বছরে এখন তার আয় প্রায় ৫০ লাখ টাকা। সেই সাথে এখানে কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হয়েছে। খামারে নিয়মিত কাজ করছেন ১৫ জন। অনিয়মিত কাজ করছেন ৩৫ থেকে ৪০ জন। ফসল ও ফলের মৌসুমে তা আরো বেড়ে যায়। ৮০ থেকে ১০০ জন শ্রমিক তখন ওই খামারে কাজ করেন। ইতোমধ্যে তার এই খামার দেখে ৩০ থেকে ৪০ জন বেকার যুবক খামার ও ফলের বাগান করে আত্মনির্ভরশীল হয়েছেন।
সোহেল রানার জন্ম ১৯৮৩ সালে। আজিজার রহমান ও রহিমা বেগমের মেজ সন্তান তিনি। বাড়ির পাশে ছোটমহারন্দী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। এরপর সোহেল রানার বাবা পরিবারসহ সাপাহার উপজেলা সদরে এসে বসবাস শুরু করেন। ১৯৯৯ সালে সাপাহার পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞানে প্রথম বিভাগে এসএসসি পাস করেন তিনি। ২০০১ সালে সাপাহার সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে ভর্তি হন রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে। সেখান থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেন। সেশনজটের কারণে লেখাপড়া শেষ হয় ২০০৯ সালে। বিশ^বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করার সময় ক্যাম্পাস প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন ঢাকার একটি কাগজে। স্নাতকোত্তর শেষে ঢাকার ওই মিডিয়া প্রতিষ্ঠানে ফিচার বিভাগের তথ্যপ্রযুক্তি পাতায় ৩০ হাজার টাকা বেতনে কাজ করেন প্রায় চার বছর। পাশাপাশি কাজ করেন তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক একটি মাসিক পত্রিকায়।
কিন্তু সোহেল রানা কাজে মন বসাতে পারছিলেন না। নিজে কিছু করার কথা ভাবতেন। সব সময় তার গ্রামের কথা, কৃষি ও কৃষকের কথা মনে হতো। ভেতরে ভেতরে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছিল সেই খামার করার স্বপ্ন। সোহেল পত্রপত্রিকায় দেশের বিভিন্ন স্থানের সফল খামারিদের গল্প আগ্রহ নিয়ে পড়তেন এবং সুযোগ পেলেই সেসব খামার পরিদর্শনে যেতেন। এই ভাবনা থেকেই ২০১৫ সালে ঢাকার চাকরি ছেড়ে দিয়ে নিজে রূপগ্রামে ফিরে যান।
বাড়িতে গিয়ে স্বজনদের জানান নিজের স্বপ্নের কথা। শুরুতে অনেক বাধা পেয়েছেন। এলাকার কেউই বিষয়টিকে ভালোভাবে নেয়নি। অনেকে তাচ্ছিল্য করে বলেছে কৃষি কাজই যখন করতে এলাম তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে কি লাভ হলো। কিন্তু তার দৃঢ় মনোবল ও ধ্যান-জ্ঞানে কৃষি ও সৃষ্টিশীল কিছু করার তাড়া ছিল।
শুরুতে সোহেল রানা পারিবারিক সহায়তায় ছোট ভাই আব্দুল বারীকে সাথে নিয়ে ১২ বিঘা জমির ওপর গড়ে তোলেন স্বপ্নের ‘রূপগ্রাম এগ্রো ফার্ম’। প্রথমেই এই খামারের মধ্যে তিন বিঘা জমিতে করেন পুকুর, পুকুরের কাটা মাটিতে সাত শ’ আমগাছ, ১২০টি লিচু, ১০০টি মাল্টা, ১০০টি ড্রাগন ও ১০০টি ভিয়েতনামি নারিকেল গাছের চারা রোপণ করেন। সেই সাথে হাঁস ও ছাগল পালন এবং গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্প হাতে নেন। তিনি বলেন, এক ফসলি এই ১২ বিঘা জমির ধান থেকে বছরে আয় হতো ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। অথচ মাত্র এক বছরে কৃষি খামার থেকে আয় হয়েছে পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা। এই আয়ের টাকা দিয়েই তিনি একের পর এক জমি লিজ নেয়া শুরু করেন। পরের বছর আরো ছয় বিঘা জমিতে বাগান করেন।
তার খামারে রয়েছে আম, লিচু, ড্রাগন ফল, মাল্টা, খাটো জাতের নারিকেল, লেবুসহ ৫০ প্রজাতির ফলের গাছ। খামারে আরো আছে বাসক, তুলসী, নিম, নীল অপরাজিতা, সাদা লজ্জাবতীসহ নানা প্রজাতির ঔষধি গাছ। আছে বিভিন্ন জাতের ফুলগাছও। এ ছাড়া তিনটি পুকুরে মাছ চাষ করছেন সোহেল রানা। করছেন হাঁস-মুরগি ও ছাগল পালনও। সমন্বিত খামারের পাশে আরো ১২ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন আমের বাগান। পাশের সাপাহার উপজেলার মানিকুড়া গ্রামে পাঁচ বিঘা জমি ইজারা নিয়ে চাষ করছেন থাই পেয়ারা। এসব খামার থেকে বছরে আয় করছেন কয়েক লাখ টাকা।
নিজেকে আরো ভালোভাবে প্রস্তুত করতে সোহেল রানা যুব উন্নয়ন অধিদফতর, পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ), বাংলাদেশ কৃষি বিশ^বিদ্যালয়, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর থেকে কৃষির ওপর বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এ ছাড়া যেকোনো পরামর্শের জন্য ছুটে যান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের কাছে। তারাও বেশ যতœ সহকারে তাকে সাহায্য করেন।
এই অবস্থায় গত বছর সাপাহার উপজেলার গোডাউনপাড়া এলাকায় ৬৫ বিঘা জমির ওপর গড়ে তুলেছেন বরেন্দ্র এগ্রো পার্ক। এই পার্কে এখন চাষ হচ্ছে আম, লিচু, পেঁপে, মাল্টা, বলসুন্দরী বরই, কাশ্মিরি বরই, ড্রাগন ফল, বিদেশী প্যাশন ফল, জাপানের জাতীয় ফল পার্সিমন, পুষ্টিকর ফল অ্যাভোক্যাডো। শুধু তাই নয় এসব গাছ থেকে ফল উৎপাদনের পাশাপাশি চারা উৎপাদন করে নার্সারি করেছেন সোহেল রানা। তার খামারের চারা ইতোমধ্যেই এলাকায় সাড়া ফেলেছে। পাশাপাশি বনজ ও ঔষধি গাছের সমাহার তার খামারে দেখতে পাওয়া গেছে। বনজ গাছের মধ্যে মেহগনি, কড়ই ও শাল রয়েছে। ঔষধি গাছের মধ্যে রয়েছে নিম, অর্জুন, বহেড়া, নিশিন্দা, হরীতকী, তুলসী, ওরিগানো, বাসক ও অ্যালোভেরা।
তিনি বিলুপ্তপ্রায় বৃক্ষও সংরক্ষণ করছেন। এর মধ্যে বৈচি, অরবরই, বিলিম্বি, যজ্ঞডুমুর গাছ যত্নসহকারে সংরক্ষণ করছেন। বরেন্দ্র এগ্রো পার্কে মাছ চাষসহ গবাদিপশু পালন ও বৃক্ষরাজির পাশাপাশি বিদেশী বিভিন্ন জাতের পাখিও পালন করছেন। এখানে দেখা গেছে অস্ট্রেলিয়ান ঘুঘু, বাজরিগার ও কবুতর।
গত পাঁচ বছরে ১৫০ বিঘা জমির ওপর দু’টি বড় খামারসহ অসংখ্য কৃষি বাগান গড়ে তুলেছেন। কৃষির সব শাখার সমন্বয়ে ব্যাপকভাবে কৃষি পর্যটন উন্নয়নে কাজ করছেন সোহেল রানা। নানা বয়সী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ আধুনিক কৃষি বিষয়ে বাস্তব ধারণা পাচ্ছেন বরেন্দ্র এগ্রো পার্কে এসে।
সোহেল রানার সমন্বিত কৃষি খামার এখন এলাকার শিক্ষিত বেকারদের জন্য অনুপ্রেরণা। ইতোমধ্যে শিক্ষিত বেকার যুবকদের মধ্যে সোহেল রানার কৃষি খামার অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। তার মিশ্র খামার দেখে এখন অনেকেই মিশ্র ফলের বাগান করছেন। পত্নীতলার রূপগ্রাম ও সাপাহারের গোডাউনপাড়ার আশপাশ এলাকায় গড়ে উঠেছে শতাধিক ফলের বাগান। এসব বাগানে আম, পেয়ারা, লেবু, স্ট্রবেরি ও কুলগাছই বেশি।
সোহেল রানা বলেন, উচ্চশিক্ষা শেষে কৃষিতে উদ্যোগ নেয়ার শুরুতে মানুষ হাসাহাসি করলেও এখন আমাদের খামার দেখে অনেক তরুণ অনুপ্রাণিত হয়ে, কৃষি কাজে এগিয়ে আসছেন। শিক্ষিত তরুণরা কৃষিতে এলে এই খাত আরো সমৃদ্ধ হবে বলে মনে করেন তিনি।
সোহেল রানার খামারের আম রফতানি হয়েছে বিলেতে। এ বছর তিনটি চালানে আমগুলো যুক্তরাজ্যে রফতানি হয়। গত ১৭ ও ২০ জুন দুই চালানে ‘বরেন্দ্র অ্যাগ্রো পার্ক’ ও ‘রূপগ্রাম অ্যাগ্রো ফার্মে’র আড়াই মেট্রিক টন আম্রপালি যুক্তরাজ্যে রফতানি হয়। এরপর ব্যানানা ম্যাংগোর তৃতীয় চালান যায় জুলাই মাসের ৮ তারিখ। বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড ভেজিটেবল এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে তিনি যুক্তরাজ্যে আম রফতানি করেন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা : এগ্রো ট্যুরিজম বিকাশে বিশাল উদ্যোগ নিয়েছেন সোহেল রানা। তিনি বলেন, এখানে আগত দর্শনার্থীরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে বাগানে হেঁটে হেঁটে নানা ফলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন এ জন্য মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী রাস্তা তৈরি করে আলাদা আলাদা প্লট তৈরি করা হয়েছে। উন্নত বিশ্বের আদলে এখানে ট্যুরিস্ট এসে নির্ধারিত ফি দিয়ে গাছ থেকে নিজ হাতে ফল পেড়ে খেতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় মৌসুমি ফল পছন্দ করে সংগ্রহ করতে পারবেন। ছোট শিশু ও শিক্ষার্থীরা ফল দেখে গাছের সাথে পরিচিত হতে পারবে। বর্তমানে দেশী-বিদেশী ফল, ফুল, বনজ, মসলাজাতীয় উদ্ভিদ, ওষুধি গাছ, সৌন্দর্যবর্ধনকারী মিলিয়ে প্রায় ৩০০ জাতের গাছ রয়েছে। এগুলো দর্শনার্থীরা দেখতে পারবেন।
সোহেল রানা বরেন্দ্র এগ্রো পার্কে কৃষি জাদুঘর, আম জাদুঘর, খাদ্য জাদুঘর, কৃষি পাঠাগার, কৃষক প্রশিক্ষণ ও কৃষি উন্নয়ন কেন্দ্র গড়ে তুলতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। সুপারফুড নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজের কথা বলেন সোহেল রানা। ভবিষ্যতে আমসহ অন্যান্য ফলের বাই প্রোডাক্ট তৈরিতে বিশেষ প্রক্রিয়াজাতকরণ সেন্টার করার উদ্যোগ নিতে চান তিনি। কৃষিতে আগ্রহী শিক্ষিত বেকার তরুণদের হাতেকলমে কৃষিকাজ শেখাতে বিশেষ উদ্যোগের কথা জানান সোহেল রানা। এতে করে খামারে অবস্থান করে কৃষি বিষয়ে বাস্তব জ্ঞান লাভ করে কোনো উদ্যোগ নিলে তারা লাভবান হবেন। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিনোদন পার্ক হিসেবে বরেন্দ্র এগ্রোকে গড়ে তুলতে চান সোহেল রানা; যেখানে এলাকার অনেক বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান হবে।
সোহেল রানা বলেন, কৃষি একটা বিজ্ঞান এবং এই বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে চাষাবাদ করে উৎপাদন বহুগুণে বাড়ানো সম্ভব। শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ছাড়া আধুনিক কৃষি অসম্ভব, এ জন্য শিক্ষিত তরুণদের কৃষিতে সম্পৃক্ত করতে পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র থেকে উদ্যোগ নিতে হবে। কৃষি নিয়ে পুরনো ধ্যান ধারণা থেকে সরে এসে মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে সবার আগে। এ ক্ষেত্রে পরিবার, সমাজ, শিক্ষক, সরকারকে সচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নিতে হবে।
সোহেল রানা বলেন, নিজে চাকরি নিয়ে থাকলে হয়তো এতগুলো মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারতাম না। শিক্ষিত মানুষের পেশাও যে কৃষি হতে পারে আমাদের এই উদ্যোগের ফলে তা আজ এলাকা ও দেশের অনেক শিক্ষিত তরুণদের কাছে দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।



আরো সংবাদ


ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক-শ্রমিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার ইলিশের ২৩ টনের প্রথম চালান বেনাপোল দিয়ে ভারতে রফতানি সাফের জন্য দল ঘোষণা করল বাফুফে বিশ্ব নেতৃত্বকে তালেবানের সাথে সম্পর্ক রাখতে বলল কাতার চীন এ বছর বিশ্বকে ২০০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেবে : শি জিনপিং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ইসরাইলের সাথে সংঘাত সমাধানের ‘উত্তম পন্থা’ : বাইডেন বিদায় তিকি-তাকা, বিদায় বার্সেলোনারও? হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির পূর্বাভাস বঙ্গবন্ধুর খুনী রাশেদ চৌধুরীকে যুক্তরাষ্ট্র ফেরত দিবে বলে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফগান ইস্যুতে বাতিল সার্ক বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর সাথে দ্বি-পক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে রোডম্যাপ তৈরির প্রস্তাব কুয়েতের

সকল