১৬ জুন ২০২১
`

শেষ মুহূর্তে শপিংমল ফুটপাথে ঠাঁই নেই

-

মার্কেট বিপণিবিতান খুলে দেয়ার প্রথম দিকে ক্রেতাসঙ্কট থাকলেও শেষ মুহূর্তে রাজধানীতে কেনাকাটার ধুম পড়েছে। শপিংমল বিপণিবিতান ফুটপাথ কোথাও ঠাঁই নেই। স্বাস্থ্যবিধির কোনো তোয়াক্কা না করেই ভিড় ঠেলে যে যার মতো করেই কেনাকাটা করছে। শিশু ও বয়স্ক মানুষকে নিয়েই ভিড় ঠেলে দোকানে দোকানে যাচ্ছেন ক্রেতারা। গতকাল রাজধানীর নিউমার্কেট ও মৌচাক এলাকায় গিয়ে দেখা যায় কোথাও তিল ধারণের ঠাঁই নেই। করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে আসছেন কেনাকাটা করতে।
এক দিকে গাদাগাদি ভিড় অন্যদিকে স্বাস্থ্যবিধি মানার নেই বালাই। জীবাণুনাশক টানেল আছে কিন্তু কাজ করছে না। আবার কোন মার্কেটের প্রবেশপথে তাও নেই। মাইকিং করে স্বাস্থ্যবিধি মানার কথা বলা হলেও মানছেন না ক্রেতারা।
বিক্রেতারা জানান, এখন সকাল ১০টার দিকে শপিংমল ও দোকানগুলো খোলার সাথে সাথে ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। মূলত ঈদকে সামনে রেখেই সেখানে ক্রেতাদের সমাগম বেশি হচ্ছে। এত লোকসমাগমের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে শপিংমলগুলোর কিছু দোকানে স্বাস্থ্যবিধি মানা হলেও ক্রেতা-বিক্রেতাদের অনেককেই মাস্ক না পরতে কিংবা থুঁতনিতে ঝুলিয়ে রাখতে দেখা গেছে। কেবল কিছু মার্কেটের প্রবেশপথে হাত স্যানিটাইজ করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ভিড়ের মধ্যে দোকানগুলোতে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার মতো যথেষ্ট জায়গাও নেই।
দোকান মালিকরা বলছেন, শুরুতে তেমন ক্রেতা না থাকলেও গণপরিবহন খুলে দেয়ার পর থেকেই মার্কেটে ক্রেতা বাড়তে থাকে। আর একদিন পরই ঈদ তাই শেষ সময়ে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় হচ্ছে।
অপর দিকে ফুটপাথেও ক্রেতা ভিড়ে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। শপিংমল, বিপণিবিতানের আশপাশ কিংবা লোকসমাগমে ব্যস্ত এলাকার যেখানেই একটু জায়গা পাওয়া গেছে সেখানেই পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা।
গুলিস্তান এলাকায় সড়কের অর্ধেকটাও চলে গেছে ফুটপাথ বাজারের দখলে। হকার্স মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মসজিদ এলাকা, গোলাপ শাহ্ মাজার, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ সব জায়গায় হরেক পণ্যের পসরা। শার্ট, প্যান্ট, জার্সি, টি-শার্ট, পোলো শার্ট, জুতা, পাঞ্জাবি, গেঞ্জি, শাড়ি থেকে শুরু করে সবকিছুই মিলছে এখানে।
তবে অনেক ক্রেতার অভিযোগ, দাম বেড়েছে। শার্ট কেনার সময় ক্রেতা সিরাজ জানান, ৪ শ’ টাকার নিচে শার্ট নেই। বিক্রেতাদের দাবি, এখানে দাম মার্কেটের তুলনায় কম। তারা বলেন, মূল মার্কেটের তুলনায় বেচাকেনা বেশি বাইরের অস্থায়ী দোকানে। একই হারে বেচাকেনা চলছে ভ্যানগাড়িতে। নারী-পুরুষ উভয়ের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে এসব ভ্যানগাড়িতে।



আরো সংবাদ