১৭ জানুয়ারি ২০২১
`

ডিএসইতে সূচক ও লেনদেন বেড়েছে

-

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস গতকাল বুধবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্য সূচকের বড় উত্থান হয়েছে। সূচকের সঙ্গে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। তবে সিএসইতে লেনদেন কমেছে। এ দিন লেনদেনের শুরুতেই শেয়ারবাজারে বড় উত্থানের আভাস পাওয়া যায়। প্রথম আধা ঘণ্টার লেনদেনেই ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ৩০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত সূচকের এই উত্থান প্রবণতা অব্যাহত থাকে।
ফলে দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৩০ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৯৩৪ পয়েন্টে উঠে এসেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ আগের দিনের তুলনায় ৬ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১২৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই-৩০ আগের দিনের তুলনায় ৯ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭০৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। মূল্য সূচকের এই উত্থানের দিনে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ১৫৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বৃদ্ধির তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১০৬টি প্রতিষ্ঠানের এবং ৯৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
এ দিন বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৮৪১ কোটি ৭ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৬৬৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। সে হিসেবে আগের দিনের তুলনায় লেনদেন কমেছে ১৭৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা। টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকোর শেয়ার। কোম্পানিটির ৪৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ন্যাশনাল ফিডের ৩৫ কোটি ২৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ৩৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বেক্সিমকো ফার্মা।
এ ছাড়া লেনদেনের শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছেÑ বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস, নিটল ইন্স্যুরেন্স, কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ, প্রগতী ইন্স্যুরেন্স, ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার, লাফার্জ হোলসিম এবং অ্যাসোসিয়েটেড অক্সিজেন। আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্য সূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ৬৭ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২৪ কোটি ১০ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেয়া ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১৩টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৮৩টির এবং ৫৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
ব্লক র্মাকেট : গতকাল বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে ৩১টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির সাড়ে ১৬ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিগুলোর ১৭ লাখ ৯৮ হাজার ৪১২টি শেয়ার ৬২ বার হাত বদল হয়েছে। এর মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর ১৬ কোটি ৫৯ লাখ ২৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ১০ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকোর। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৮ হাজার টাকার বারাকা পাওয়ারের এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ৬২ লাখ ৬০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে এসকে ট্রিমসের।
এ ছাড়া এসোসিয়েটেড অক্সিজেনের ১৮ লাখ টাকার, এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের ১১ লাখ টাকার, বেক্সিমকো ফার্মার ১২ লাখ ২৮ হাজার টাকার, কনফিডেন্স সিমেন্টের ২০ লাখ ২০ হাজার টাকার, সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের ৫ লাখ টাকার, ডিবিএইচের ৩০ লাখ ৬৩ হাজার টাকার, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ৩৬ লাখ ৫ হাজার টাকার, এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকার, ইনটেকের ১২ লাখ ৯২ হাজার টাকার, লাফার্জ হোলসিমের ৫ লাখ ১ হাজার টাকার, মালেক স্পিনিংয়ের ১২ লাখ ২৪ হাজার টাকার, মুন্নু সিরামিকের ৫ লাখ টাকার, নাহি অ্যালুমিনিয়ামের ১৮ লাখ ৩৮ হাজার টাকার, নিটল ইন্স্যুরেন্সের ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের ১২ লাখ ৬৬ হাজার টাকার, ফনিক্স ইন্স্যুরেন্সের ৯ লাখ ১৬ হাজার টাকার, প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের ৪১ লাখ ৮৫ হাজার টাকার, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ১৮ লাখ ৮৭ হাজার টাকার, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের ৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকার, সায়হামা টেক্সটাইলের ৫ লাখ ২ হাজার টাকার, সি পার্লের ৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকার, সুহৃদের ৭ লাখ ৯১ হাজার টাকার, সিলভা ফার্মার ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার, এসএস স্টিলের ৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের ৫ লাখ ৩১ হাজার টাকার, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৬ লাখ ৭০ হাজার টাকার, ইউনাইটেড পাওয়ারের ২৬ লাখ ২ হাজার টাকার এবং এডিএন টেলিকমের ৫০ লাখ ৪৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।



আরো সংবাদ