১৭ জানুয়ারি ২০২১
`

মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্লাহ হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

-

পরিকল্পনা ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কোণ্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্লাহকে চৌধুরীকে হত্যার অপরাধে সাতজনকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল বুধবার ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো: কামরুজ্জামান এক জনাকীর্ণ আদালতে এ দণ্ডাদেশ দেন।
যাদের কে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে তারা হলেনÑ গুলজার হোসেন, আশিক, শিহাব আহমেদ ওরফে শিবু, আহসানুল কবির ইমন, তাজুল ইসলাম তানু, জাহাঙ্গীর খাঁ ওরফে জাহাঙ্গীর এবং রফিকুল ইসলাম ওরফে আমিন ওরফে টুণ্ডা আমিন।
এ ছাড়া লাশ পোড়ানোর অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাতজনকেই সাত বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় শম্পাকে খালাস দিয়েছেন আদালত। মামলার অন্য আসামিরা পলাতক।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন কোণ্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরী। নিখোঁজের পরদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর এলাকার একটি হাসপাতালের মর্গ থেকে তার আগুনে পোড়া বিকৃত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আসামিরা তাকে হত্যা করে গোপন করার উদ্দেশ্যে পুড়িয়ে ফেলে। পরে তার সাথে থাকা কাগজ ও এটিএম কার্ড দেখে লাশ শনাক্ত করেন ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী।
সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী পরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারি আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ২০১৫ সালের ২ জুলাই আটজন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় ২১ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময় ১১ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী আবদুর রশীদ মোল্লা, এ কে এম ফজলুর হক প্রমুখ আইনজীবী।

 



আরো সংবাদ