১৭ জানুয়ারি ২০২১
`

’২১ সালে পর্যটন ঘিরে মহাপরিকল্পনা

-

পর্যটকদের বাংলাদেশের প্রতি আকৃষ্ট করতে ২০২১ সালে পর্যটন ঘিরে মহাপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। আগামী বছর স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপনে পর্যটনবর্ষ পালন করা হবে। পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে, সাত দিনব্যাপী ইনানীতে ৫০টি দেশের নৌবাহিনীর সাথে অনুষ্ঠান। মেলা, ফেস্টিভাল, কার্নিভাল, কালচারাল অনুষ্ঠান, ব্রান্ডিং, স্যোশাল মিডিয়ায় প্রচারণা, ভিডিও নির্মাণ, ডিজিটাল স্ক্রিনে প্রদর্শনী ও ওশান ট্যুরিজমকে বেসরকারি উদ্যোগে চালু।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের মাধ্যমে এই মহাপরিকল্পনার কার্যক্রম চলবে। এ ছাড়া চলতি মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে বিশেষ প্রচারণার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড। ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ ক্যাম্পেইনে মহান মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন স্মৃতিস্তম্ভ এবং সেগুলোর ইতিহাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্লগ আকারে পোস্ট করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের উপপরিচালক, পরিকল্পনা ও গবেষণা, উপসচিব মোহাম্মাদ সাইফুল হাসান গতকাল নয়া দিগন্তকে বলেন, দেশের ট্যুরিজমকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে এমন পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। যাতে পর্যটকরা বাংলাদেশের প্রতি আকৃষ্ট হয়।
তিনি বলেন, ‘এ লক্ষ্যে আমাদের পরিকল্পনা হলোÑ ২০২১ সালের ডিসেম্বরে কক্সবাজারের ইনানীতে নৌবাহিনীর সাথে যৌথ অনুষ্ঠান, যার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এতে আমেরিকাসহ ৫০টি দেশের নৌবাহিনীর প্রধানরা ও নানান পেশার বিদেশীরা আসবেন। আমরা তাতে মেলা করব, ফেস্টিভাল, কার্নিভাল করব। এ ছাড়া কালচারাল অনুষ্ঠান ও ব্রান্ডিংসহ অনেক ইভেন্ট থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘এর প্রধান কারণ ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশকে দেশে-বিদেশে প্রমোট করা। এতে আমাদের ব্যবসা হবে। দেশী-বিদেশী পর্যটকরা আসবে’।
সাইফুল হাসান জানান, অনুষ্ঠানটি আপাতত চার দিনব্যাপী হওয়ার কথা থাকলেও বাড়িয়ে সাত দিন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
দেশকে প্রমোট করার কৌশলগুলো কেমন হবেÑ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেকগুলো টিভিসি হবে। ফেসবুক-টুইটারসহ আটটি স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহার করব’।
প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমাদের ছোট ছোট ভিডিও তৈরি শুরু হয়েছে। একটি প্রতিষ্ঠানকে আমরা ইতোমধ্যে দায়িত্ব দিয়েছি তা তৈরি করার জন্য। দুই বছরের চুক্তিতে প্রতিষ্ঠানটি সারা দেশের জন্য ৭০০ ভিডিও তৈরি করবে। এ ছাড়া অ্যানিমেশনসহ প্রায় এক হাজার ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে’।
‘আমরা আশা করছি, আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রায় চার শ’ ভিডিও পেয়ে যাবো। এগুলো স্যোশাল মিডিয়ায় প্রচার হবে। অন্য দিকে বিভিন্ন স্থানে ডিজিটাল স্ক্রিনেও এগুলো প্রদর্শন করা হবে। হোটেলগুলোতে টিভিসিগুলো সার্বক্ষণিক চলবে। ট্যুর অপারেটররা আছে, তাদেরও প্রমোট করা হবে। ওশান ট্যুরিজমকে আমরা বেসরকারি উদ্যোগে চালুর চেষ্টা করব।’
এ ছাড়া পর্যটকদের জন্য বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট প্যাকেজ চালু হবে। সবই পরিকল্পনার মধ্যে আছে বলে জানান তিনি।



আরো সংবাদ