২৫ জানুয়ারি ২০২১
`

বিনিয়োগের হার কমায় মুনাফায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে : কাজী ওসমান আলী এমডি এসআইবিএল

-

প্রতিষ্ঠার ২৫ বছরে ১৫ লাখ আমানতকারীর আস্থায় পরিণত হয়েছে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক। সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। সারা দেশে ১৬১টি শাখা ও ৫৪টি উপশাখা নিয়ে বিস্তৃত ব্যাংকটি। বিদ্যমান ব্যাংকিং অবস্থা, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পথচলা ও সামনে এগোনোর পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ওসমান আলী। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি আশরাফুল ইসলাম।

নয়া দিগন্ত : ব্যাংকে মুনাফার হার এখন এক অঙ্কে নামিয়ে আনা হয়েছে। বিষয়টি কিভাবে দেখছেন?
কাজী ওসমান আলী : গত এপ্রিল থেকে আমরা বিনিয়োগের মুনাফার হার এক অঙ্কে নামিয়ে এনেছি। এর ফলে সাময়িকভাবে ব্যাংকের মুনাফায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি আমানত স্কিমে মুনাফার হার বেশি ছিল। এখন সময় এসেছে তহবিল ব্যবস্থাপনা ভালো করার, ডিপোজিট মিক্স টেকসই করে ব্যয় কমানোর, ব্যাংকারদের কর্মদক্ষতা বাড়ানোর, ব্যাংকের সব কর্মকাণ্ডকে ডিজিটাল করার, খেলাপি বিনিয়োগ কমানোর।
নয়া দিগন্ত : করোনা মহামারীতে কেমন চলছে আপনার ব্যাংক?
কাজী ওসমান আলী : বিশ্বের যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আর্থিক খাতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক মহামারী বিশ্ব অর্থনীতিতে যেমন নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। তাই অভিভাবক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি দিকনির্দেশনা দিয়েছিল। সে অনুযায়ী আমরা সঙ্কটময় সময়েও আমাদের সব শাখার মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবা দিয়েছি। একদিনের জন্যও কোনো সেবা বন্ধ ছিল না। যদিও আমাদের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন, একজন মারাও গেছেন। তারপরও আমরা থেমে নেই।
নয়া দিগন্ত : করোনা মহামারীর এই সময়ে নতুন কোনো পণ্য চালু করেছেন?
কাজী ওসমান আলী : আমাদের নিয়মিত ব্যাংকিং সেবার পাশাপাশি প্রবাসীদের জন্য নতুন দু’টি বিনিয়োগপণ্য চালু করেছি। প্রবাসফেরতদের জন্য প্রবাসী অগ্রযাত্রা ও প্রবাসী উদ্যোগ নামে চালু করেছি বিশেষ দু’টি পুনর্বাসন বিনিয়োগ প্রকল্প। বিদেশফেরত প্রবাসীগণ ক্ষুদ্র ব্যবসা ও কৃষিভিত্তিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য জামানতবিহীন পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগসুবিধা পাবেন। এতে তারা দেশের অভ্যন্তরেই স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে পারবেন নিজেদের। এ ছাড়াও করোনা মহামারীর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী উদ্যোক্তাদের স্বল্প মুনাফায় বিনিয়োগসুবিধা প্রদান করেছি।
নয়া দিগন্ত : করোনা মহামারীর সময়ে আপনার ব্যাংকে কেমন পরিবর্তন হয়েছে?
কাজী ওসমান আলী : আমরা কন্টাকলেস অর্থাৎ ব্যক্তির উপস্থিতি সর্বোচ্চ কমিয়ে ব্যাংকিংসেবা বাড়িয়ে চলেছি। এ জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে। এসআইবিএলকে আমরা ক্রমেই ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। পেপারলেস ব্যাংকিংকে উৎসাহিত করতে শাখাপর্যায় থেকে সব প্রস্তাবনা অনলাইনে প্রেরণ এবং অনলাইনেই অনুমোদন করা হয়। এ লক্ষ্যে বিদ্যমান উড়পঁসবহঃং গধহধমবসবহঃ ঝুংঃবস (উগঝ) -কে আরো শক্তিশালী করা হচ্ছে। ইন্টারনেট ব্যাংকিং, অনলাইন ব্যাংকিং ও মোবাইল অ্যাপের সুবিধা যুগোপযোগী করেছি এবং সেবার আওতাও বাড়িয়েছি। চালু করেছি ই-অ্যাকাউন্ট সেবা। এ সেবার মাধ্যমে যেকোনো ব্যক্তি এখন ঘরে বসেই মোবাইলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারছেন, এর জন্য গ্রাহককে ব্যাংকের শাখায় আসার প্রয়োজন নেই। এ ছাড়াও আমাদের মোবাইল অ্যাপ ‘এসআইবিএল নাউ’ এর মাধ্যমে যেকোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফান্ড ট্রান্সফার, বিকাশ অ্যাকাউন্টে ফান্ড ট্রান্সফার, ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট, ক্রেডিট কার্ডের বিল পেমেন্ট, মোবাইল রিচার্জসহ নানান ব্যাংকিং কাজ খুব সহজেই করা যায়। ব-অপপড়ঁহঃ-এর মাধ্যমে গ্রাহকগণ ডিপিএস হিসাবও খুলতে পারবেন এবং টাকা জমা দিতে পারবেন। এই অ্যাপের সাহায্যে নগদেও টাকা লেনদেন করা যাবে খুব শিগগিরই। চালু করা হচ্ছে ছজ ঈড়ফব দিয়ে শাখা থেকে টাকা উত্তোলনের ব্যবস্থা, যা আগামী মাসেই শুরু হতে যাচ্ছে। এর ফলে কাউকে চেকবই সাথে বহন করতে হবে না। এর ফলে “ঝওইখ ঘড়”ি ব্যবহার করে গ্রাহকগণ ছজ ঈড়ফব দিয়ে চেক ছাড়াই যেকোনো শাখা থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। “ঝওইখ ঘড়”ি দিয়ে আমাদের প্রবাসীগণ যাতে আমাদের ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন সে ব্যাপারে আমরা কাজ করছি। এর ফলে আমাদের প্রবাসী হিসাব বাড়বে এবং দেশে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বৃদ্ধি পাবে।
নয়া দিগন্ত : প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে শুভানুধ্যায়ীদের কোনো সুখবর দিবেন?
কাজী ওসমান আলী : একটি সুখবর আছে, যা শুধু সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের নয়। দেশের ইসলামী ব্যাংকিং ও বাংলাদেশের জন্য খুবই ভালো খবর। সেটি হচ্ছে, বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাংক হিসেবে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পরিচালিত আওকাফ প্রপার্টিজ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের মালিকানায় অংশীদার রয়েছে। এই ফান্ডে বিনিয়োগের ফলে ওংষধসরপ উবাবষড়ঢ়সবহঃ ইধহশ এর অন্যান্য বিনিয়োগ সহযোগীর সাথে ব্যাংকের সম্পর্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে ব্যাংকের মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি ব্যাংকের সাথে সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। এ ছাড়া আমরা বর্তমানে দেশের প্রথম ব্যাংক হিসেবে অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক একটি ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক কোম্পানির সাথে ৭৫ মিলিয়ন অর্থাৎ সাড়ে সাত কোটি মার্কিন ডলারের সুকুক ইস্যু নিয়ে কাজ করছি, যা এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। এটি চালু হলে আমরা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারব।
নয়া দিগন্ত : আপনার ব্যাংকের স্লোগানের সাথে গ্রাহকদের কিভাবে সংযুক্ত করছেন ?
কাজী ওসমান আলী : দ্বিতীয় প্রজন্মের ব্যাংক হিসেবে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯৫ সালের ২২ নভেম্বর। এই ২৫ বছরে ব্যাংকের অর্জন অনেক। এই দীর্ঘ সময়ে দেশের অর্থনীতিতে অনেক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকেরও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক সাফল্যেও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। এ ব্যাংকের স্লোগান হলো ‘উৎকর্ষ অবিরাম’। এ স্লোগান শুধু বলা বা লেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বরং সত্যিকারার্থেই সর্বোৎকৃষ্ট গ্রাহকসেবার মাধ্যমে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক তার অবিরাম উৎকর্ষের পথে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে। এই দীর্ঘযাত্রায় দেশীয় শিল্প বিকাশ, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসার, এসএমই উদ্যোক্তা তৈরি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আমদানি, রফতানি ও রেমিট্যান্স ইত্যাদি ক্ষেত্রে সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
নয়া দিগন্ত : ব্যাংকের বিস্তৃতি সম্পর্কে একটু বলেন?
কাজী ওসমান আলী : প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর শেষে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা সম্পদের ব্যাংকে পরিণত হয়েছে। আমাদের কাছে গ্রাহকদের আমানত আছে প্রায় ৩১ হাজার কোটি টাকার এবং আমরা প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছি। দেশব্যাপী ১৬১টি শাখা, ৫৪টি উপশাখা, ১৩৩টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট, ১৪০টি এটিএমবুথ এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল অ্যাপসহ প্রযুুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকসেবা দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে ব্যাংকের গ্রাহকসংখ্যা ১৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এই বিপুলসংখ্যক গ্রাহকই আমাদের মূল শক্তি। তাদের সন্তুষ্টিই আমাদের বড় অর্জন।
নয়া দিগন্ত : ব্যাংকের এতট পথ পাড়ি দেয়ার পেছনে সবচেয়ে বেশি কার অবদান?
কাজী ওসমান আলী : আমানতকারীরাই আমাদের বড় আস্থা ও শক্তির জায়গা। তারা আমাদেরকে বিশ্বাস করেছেন। আমাদের কর্মীবাহিনীও এতে অবদান রেখেছেন। এ ছাড়া সর্বোচ্চ ভরসার জায়গায় পরিণত করেছে পরিচালনা পর্ষদ। ব্যাংক পরিচালনার জন্য আমরা পেয়েছি অত্যন্ত বিজ্ঞ ও মানবিক পর্ষদ। তাদের বিচক্ষণ দিকনির্দেশনায় বর্তমান সঙ্কটময় সময়ে ব্যাংকের বাহুল্য ব্যয় কমিয়ে ব্যাংকের প্রফিটাবিলিটি ঠিক রেখেছি। পরিচালনা পর্ষদ অত্যন্ত কর্মীবান্ধব। বৈশ্বিক মহামারীর কারণে সৃষ্ট সঙ্কটেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনভাতা হ্রাস করেননি, উপরন্তু বোনাস, উৎসবভাতা, প্রণোদনা ভাতা, ইনক্রিমেন্ট ইত্যাদি প্রদান করে তাদেরকে উজ্জীবিত রেখেছেন।
নয়া দিগন্ত : করোনা মহামারীতে সরকারঘোষিত প্রণোদনা কিভাবে বাস্তবায়ন করছে এসআইবিএল?
কাজী ওসমান আলী : মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে এক লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। এ প্রণোদনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব মূলত বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপরে। প্রণোদনা যাতে সত্যিকারার্থেই অর্থনীতিকে সচল করে সে জন্য ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের চিহ্নিত করে প্রণোদনা বিনিয়োগ প্রদান করতে হবে। গ্রাহকের ব্যবসা সম্পর্কে জানতে হবে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ব্যবসায়ের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করতে হবে। এ ছাড়াও ক্রেডিট রিপোর্ট দেখা, সিকিউরিটির মূল্যায়ন করা, রিস্ক বিশ্লেষণসহ অসংখ্য কাজ ব্যাংককে করতে হবে। আপৎকালীন সহায়তা হিসেবে প্রণোদনা থেকে বিনিয়োগ বা ঋণ যাতে উপযুক্তরাই পায়, সত্যিকার ক্ষতিগ্রস্তরা যাতে ক্ষতি কাটিয়ে উঠে অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রণোদনার অপব্যবহার হলে খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনা ঝুঁকি বাড়বে বৈ কমবে না।
নয়া দিগন্ত : আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কোনো পরিবর্তন আসছে?
কাজী ওসমান আলী : সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক সম্প্রতি আউটওয়ার্ড রেমিট্যান্স প্রেরণের অনুমোাদন পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে আউটওয়ার্ড রেমিট্যান্স পাঠানো সম্ভব হবে। এর ফলে বৈধভাবে চাকরি করে বিদেশী ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে যেকোনো প্রান্তে টাকা পাঠাতে পারবেন। এ ছাড়া আমাদের দেশের শিক্ষার্থীগণ বিদেশে টিউশন ফি পরিশোধ করতে পারবেন। এতে বহির্বিশ্বে আমাদের ভাবমর্যাদা বাড়বে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই সফটওয়ার ডেভেলপমেন্টের কাজ সম্পন্ন হবে। আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাংকের ইমেজ বৃদ্ধির জন্য আমরা ইতোমধ্যে মুডিসের আন্তর্জাতিক রেটিং গ্রহণ করেছি। দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল সেন্টারভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে আমাদের অফশোর ব্যাংকিংয়ের জন্য ১০০ মিলিয়ন ফান্ডের চুক্তি হয়েছে।
নয়া দিগন্ত : সামাজিক দায়বদ্ধতায় ব্যাংক কী ভূমিকা রাখছে?
কাজী ওসমান আলী : সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে এসআইবিএল দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা ও ক্রীড়াঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। স্বল্প খরচে আধুনিক চিকিৎসাসেবা প্রদানের লক্ষ্যে এ ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে এসআইবিএল ফাউন্ডেশন হাসপাতাল। মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এ বছর আমরা ইউসেফ বাংলাদেশের সাথে সুবিধাবঞ্চিত, বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া কিংবা শারীরিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য ‘ইউসেফ-এসআইবএল স্কিল ট্রেনিং প্রজেক্ট’ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছি। এ প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ১০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এর মধ্যে থেকে ২৫ জনকে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
নয়া দিগন্ত : প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গ্রাহকের উদ্দেশে কিছু বলবেন?
কাজী ওসমান আলী : ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ বছর আমাদের বছরব্যাপী নানা ধরনের কর্মসূচি ছিল। এ জন্য আমরা দীর্ঘ প্রস্তুতিও নিয়েছিলাম। কিন্তু বছরটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন মানুষের জীবন ও জীবিকা উভয়টিই ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে। এ অবস্থায় আমাদের কর্মসূচিতে কাটছাঁট করতে হয়েছে। পরম দয়াময় আল্লাহর কাছে আমাদের প্রার্থনা তিনি যেন আমাদেরকে রক্ষা করেন। ব্যাংকের সব গ্রাহক, উদ্যোক্তা, শুভাকাক্সক্ষীসহ সব শ্রেণী-পেশার মানুষকে নিয়েই এগিয়ে যেতে চাই। আপনাদেরকে জানাই ব্যাংকের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা।

 



আরো সংবাদ


আসন্ন বাজেটের জন্য একগুচ্ছ প্রস্তাব আইবিএফবির বিশ্বে শান্তি ফিরিয়ে আনতে মাইজভাণ্ডারীর দর্শনই হতে পারে নিয়ামক শক্তি : সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানী সাবেক শিক্ষক নুরুলের মৃত্যুতে রাজশাহী মহানগর জামায়াতের শোক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ৬৯’র মতো গণ-অভ্যুত্থান প্রয়োজন : জাগপা তিন বিষয়ে প্রমোশনের দাবিতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের অনশন পি কে হালদারের আরো দুই সহযোগী গ্রেফতার সরকারের দুর্নীতি-লুটপাট থেকে জনদৃষ্টি ভিন্ন দিকে নিতে অপপ্রচার : জামায়াত প্রতিরক্ষা খাতের পেনশন সহজীকরণে নতুন কার্যালয় উদ্বোধন বাবুল চিশতী ও ছেলে রাশেদুল চিশতী গ্রেফতার গাজীপুরে কর্মচারীকে ধর্ষণের অভিযোগে কারখানার মালিক গ্রেফতার কমলাপুরে পোশাক কারখানায় আগুন

সকল