২৩ অক্টোবর ২০২০

করোনা পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ছে

-

করোনা পরবর্তী সময়ে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য সরকারি অনুদানের বরাদ্দ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগে যেখানে শিক্ষার্থী অনুপাতে ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ ছিল করোনার পরে ওই সব স্কুলের জন্য বরাদ্দ দ্বিগুণ করার চিন্তা করা হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতনের (ডিপিই) সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
সূত্র মতে সরকারি অনুদানের অর্থ ঠিকভাবে ব্যয় করার জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনায় স্কুল ম্যানেজিং কমিটির (এসএমসি) নীতিমালায় সংশোধন আনা হবে। বিদ্যালয়ের পরিবেশ ঝুঁকিমুক্ত রাখতে উন্নয়নের পাশাপাশি মেডিক্যাল সরঞ্জাম ক্রয়ের নির্দেশনা যুক্ত করা হবে। নীতিমালা সংশোধনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ডিপিইতে একটি সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ দিকে করোনা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। বিদ্যালয় পরিচালনায় ইতোমধ্যে স্বাস্থ্যবিধি প্রণয়ন করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্যবিধিতে এসএমসির জন্য নানা ধরনের কার্যক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। তার মধ্যে তাপমাত্রা পরিমাপ করতে থার্মোমিটার ক্রয়, পানির ব্যবস্থা, ছেলেমেয়েদের জন্য পৃথক শৌচাগার স্থাপন বা সম্প্রসারণ করা, মেয়েদের ঋতুকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, খোলার আগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণসহ শ্রেণিকক্ষ ও টয়লেটগুলো স্বাস্থ্যসম্মত ও জীবাণুমুক্ত করা। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় জীবাণুনাশক, সাবানসহ অন্যান্য পরিচ্ছন্নতা উপকরণ সংগ্রহ ক্রয় করতে বলা হয়েছে।
স্বাস্থ্যবিধিতে বলা হয়েছে, বিদ্যালয় চলাকালীন প্রতি শিফটে অন্তত একবার পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা, প্রতিদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চত্বরের আবর্জনা পরিষ্কার এবং আবর্জনা সংরক্ষণকারী পাত্র জীবাণুমুক্ত করা, প্রতিবার টয়লেট ব্যবহারের পরে অবশ্যই সাবান দিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান ও সচেতন করে তোলা, কেউ অসুস্থ হলে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি থেকে বিরত রাখা, অসুস্থ সন্তানকে বিদ্যালয়ে না পাঠানোর জন্য অভিভাবকদের অনুরোধ করা, অসুস্থতাজনিত অনুপস্থিতির কারণে কোনো শিক্ষার্থী যেন শ্রেণী মূল্যায়নে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বিদ্যালয়ের ক্লাস কার্যক্রম পদ্ধতি বদলে যাবে। সব সরকারি বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে থার্মোমিটার, মাস্ক, সাবান, জীবাণুনাশক উপাদান ক্রয়সহ পোস্টার, লিফলেট তৈরি করতে হবে। বিষয়গুলোত এসএমসি নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন এ বিষয়ে জানিয়েছেন,করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে বিদ্যালয় পরিচালনা করতে এসএমসি সদস্যদের বেশ কিছু কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হবে। স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন করতে এসএমসি নীতিমালা সংশোধনের কাজ শুরু করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে এসএমসির সদস্যরা কী কী ও কিভাবে দায়িত্ব পালন করবেন তা নীতিমালায় যুক্ত করা হবে। বিদ্যালয়ের পরিবেশ ঝুঁকিমুক্ত রাখতে বার্ষিক উন্নয়নের অর্থ দিয়ে মেডিক্যাল সরঞ্জাম ক্রয়সহ কী কী খাতে ব্যয় করতে হবে তা যুক্ত করতে সভা ডাকা হয়েছে। সভায় আলোচনার মাধ্যমে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

 


আরো সংবাদ

স্কুলছাত্রীকে অজ্ঞান করে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা পাকিস্তানে ‘গৃহযুদ্ধের’ ভুয়া খবর নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে মাতামাতি ঢাকা-১৮ থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন শুরু : জাহাঙ্গীর শুধু কথা বলার কারণে সংগ্রাম সম্পাদক ও সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়েছে : ডা: জাফরুল্লাহ দেশে করোনায় আরো ১৪ জনের মৃত্যু খালেদা জিয়াই হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রকৃত বন্ধু : খোরশেদ করোনায় স্থগিত সিএএফ চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সেমি-ফাইনাল নিম্নচাপটি আজ সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ উপকূল অতিক্রম করতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পত্তিতে মহামারীর কামড়!‌ ধনী হয়ে উঠল চীন ও ভারত :‌ রিপোর্ট রাঙ্গাবালীতে স্পিডবোট ডুবির ঘটনায় এখনো নিখোঁজ ৫ ভারত নোংরা : ট্রাম্প

সকল