০৭ জুলাই ২০২০
নতুন বন্দী ৫০৬ জামিনে মুক্ত ১৪৪১

করোনায় আক্রান্ত ৬৬ কারারক্ষী

-

ঢাকা বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন কারাগারে মোট ৬৬ জন কারারক্ষী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন নারায়ণগঞ্জে। এ ছাড়া ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সহকারী সার্জন মাহমুদুল হাসান শুভ, খোরশেদ আলমসহ ২০৫ জন কারারক্ষী ও বন্দী হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন।
গতকাল শুক্রবার কারা অধিদফতরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (প্রশাসন) মো: মনজুর হোসেনের পাঠানো খুদেবার্তায় জানা যায়, ঢাকা বিভাগের কেরানীগঞ্জ কারাগারের ৪১ জন কর্মচারী/তাদের সন্তান ও ৮ জন বন্দী আইসোলেশনে আছেন। এ ছাড়া কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারে ৩ জন বন্দী, কিশোরগঞ্জে একজন ও মাদারীপুরে ৩ জন বন্দী আক্রান্ত হয়েছেন। একইভাবে চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম জেলা কারাগারে ১৯ জন কারারক্ষী, ২৮৯ জন বন্দীর মধ্যে একজন মহিলা বন্দী রয়েছেন। একইভাবে কুমিল্লা কারাগারে ১৫ জন কারারক্ষী, রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় জেলা কারাগারে ২০ জন, রাজশাহী বিভাগের বগুড়া কারাগারে ৮ জন, পাবনা কারাগারে ৬ জন কারারক্ষী ও ৪ জন বন্দী, খুলনা বিভাগের খুলনায় ৪ জন কারারক্ষী ও ৭ জন বন্দী, বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালী কারাগারে ২ জন কারারক্ষী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে রয়েছেন।
গতকাল ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, কারাগারের সহকারী সার্জন মাহমুদুল হাসান শুভ, খোরশেদ আলম ও ডিপ্লোমা আব্দুল হামিদ বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টিনে অবস্থান করছেন।
কারাগার অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত সারা দেশের ৬৮ কারাগারে মোট ৭৩ হাজার ৩০৯ জন বন্দী রয়েছে। এর মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দী ১৮৯৭ জনের মধ্যে পুরুষ ১৮৪৯ জন এবং ৪৮ জন মহিলা। বিদেশী বন্দী আছেন ৫৫৮ জন। মায়ের সাথে শিশু রয়েছে ৩৫৭ জন। বিডিআর ৭৮৯ আর উগ্রবাদী ৭৯৩ জন, জেএমবি ৫১২ জন ও অন্যান্য ২৮১ জন। সহকারী কারা মহাপরিদর্শক মনজুর হোসেন জানান, গতকাল পর্যন্ত ৬৮ কারাগারে নতুন বন্দী এসেছেন ৫০৬ জন। আর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন ১৪৪১ জন।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কারাগারে এখন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব কার্যক্রম চলছে। কোনো কারারক্ষী বা কারাগার সংশ্লিষ্ট কাউকে কারাগার এলাকা থেকে বের হতে দেয়া হচ্ছে না। বন্দীর সাথে স্বজনদের সাক্ষাৎ বন্ধ রয়েছে।
তবে মোবাইলে কথা বলানোর কার্যক্রম অব্যাহত আছে। প্রতিদিন আদালত থেকে যেসব নতুন বন্দী কারাগারে আসছেন তাদের তাপমাত্রা মেপে দু’টি ওয়ার্ডে রাখা হচ্ছে। সেখানে ১৪ দিন রাখার পর কোনো উপসর্গ না পেলে সাধারণ ওয়ার্ডে পাঠানো হচ্ছে।


আরো সংবাদ