০৭ জুলাই ২০২০

রান্নায় তেলের ব্যবহারে সচেতনতা

-

স্বাস্থ্যকর খাবারের জন্য সঠিক তেল ব্যবহার করা ভীষণ জরুরি। পুষ্টিবিদরা বলেন, খাবারের পুষ্টিগুণ অটুট রাখতে সাধারণ তেলের চেয়ে অলিভ অয়েল, তিলের তেল বা সরিষার তেল ব্যবহার করা ভালো। তিলের তেল ও অলিভ অয়েল মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎস। এই দুই ধরনের তেলেই ‘ব্যাড ফ্যাট’ এর পরিমাণ অনেক কম থাকে। আর ব্যাড ফ্যাট যত কম পরিমাণে খাওয়া যায়, স্বাস্থ্যের জন্য ততই ভালো। সরিষার তেল বা রিফাইনড অয়েলের চেয়ে অলিভ অয়েল ও তিলের তেলে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ অনেক কম থাকে। তেলে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি হলে তা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে হার্টের নানা সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। সাধারণ তেলের তুলনায় অলিভ অয়েল বা তিলের তেলে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি পরিমাণে থাকে। এ জন্য এই তেল হার্টের জন্য ভালো। শুধু তাই নয়, এগুলো হার্টের অসুখ প্রতিরোধেও কার্যকরী। তাই প্রতিদিনের রান্নাতে এই তিলের তেল ব্যবহার করা উচিত বলে পুষ্টিবিদরা জানান। রান্নার কাজে সবচেয়ে ভালো হয় নারিকেল তেল ব্যবহার করা (যদিও আমাদের দেশে রান্নার কাজে এই তেলের ব্যবহার নেই)। আরেকটি বিষয় সবারই মনে রাখা উচিত। সেটা হলো, কোনও তেলই অতিরিক্ত পরিমাণে ব্যবহার করা ঠিক নয়। রান্নায় পরিমিত তেলই ব্যবহার করাই উচিত। ইন্টারনেট।


আরো সংবাদ