০৭ এপ্রিল ২০২০

টোল আদায়ে গাড়িতে প্রি-পেইড মিটার লাগানো হবে

-

আগামীতে বড় বড় সেতুতে টোল দিতে গাড়ি থামানোর প্রয়োজন পড়বে না। কারণ এ ক্ষেত্রে গাড়িতে স্থাপন করা হবে ‘প্রি-পেইড মিটার’। এই মিটারের সাহায্য গাড়ি কোনো রকম বিরতি ছাড়াই সেতু পার হয়ে যাবে। মিটারের টাকা শেষ হয়ে গেলে টাকা ভরে নেয়া যাবে। এ কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, জরুরি ভিত্তিতে আমাদের টোল-ব্যবস্থায় অটোমেশনসহ গাড়িতে প্রি-পেইড মিটার লাগানো হবে। আমাদের দেশে মানুষের টোল দিতে কোনো আপত্তি নেই। তবে সমস্যা হলোÑ আমরা এখনো অটোমেশন করতে পারিনি। আমরা অটোমেশনের কাজ শুরু করেছি। সড়ক ও জনপথ বিভাগ এর প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পেরেছে। তাই এখন তারা আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে।
গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে মোট সাতটি ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের আওতায় টোল প্লাজা অটোমেশন প্রকল্পও রয়েছে। যে প্রস্তাবটি এসেছে সেটি হলোÑ সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের আওতায় ধলেশ্বরীতে কম্পিউটারাইজড টোল প্লাজা করা হবে। এটা ছোট প্রকল্প। এখানে আগে যা ছিল তার থেকে আট কোটি ১৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে। এটা ভেরিয়েশন প্রকল্প। আগে এ প্রকল্পটির কাজ চলছিল। নতুন করে টাকাটি দিলে কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। সব মিলিয়ে মোট ব্যয় হবে ৩৬ কোটি ১০ লাখ টাকা।
তিনি বলেন, আমাদের এখানে যে কাজটি জরুরি ভিত্তিতে করা দরকার সেটি হলো অটোমেশন। আমাদের টোল-ব্যবস্থায় অটোমেশন করতে হবে। গাড়িতে প্রি-পেইড মিটার লাগানো থাকবে। ফলে গাড়ি এক সেকেন্ডের জন্য থামবে না। আসবে আর যাবে। যতক্ষণ পর্যন্ত প্রি-পেইড মিটার কাজ করবে এবং সেই মিটারে অর্থ থাকবে সেটি চলতে পারবে। টাকা শেষ হয়ে গেলে অটোমেশনে গাড়ি চলবে না। আবার মিটারে টাকা ভরতে হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, পোস্তগোলা ও ধলেরশ্বরী টোল প্লাজা অটোমেশন করা হবে। সম্প্রতি পোস্তগোলা গিয়ে বলে এসেছিলাম টোল-ব্যবস্থাপনা অটোমেশন করতে। হয় অটোমেশন করেন, না হয় টোল আদায় বন্ধ করে দেন; কিন্তু টোল আদায় বন্ধ করা যাবে না। টোল সারা দেশে নিতে হবে। টোল না নিলে আমরা যে রাস্তাঘাট করছি তা রক্ষণাবেক্ষণ করা কঠিন হয়ে যাবে। টোল আদায়ব্যবস্থা সারা বিশ্বেই প্রচলিত আছে।
যারা সারা বছর টোল দেয় তাদের জন্য কোনো বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে কি নাÑ এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, এদেরকে বিশেষ ব্যবস্থা কী দেয়া যায় এটা জানা নেই। তবে তারা তো সুবিধা পাচ্ছে। এদের তো রাস্তা দিচ্ছি আমরা। পৃথিবীর সব দেশেই ঘর থেকে বের হলেই টাকা দিতে লাগে। আমাদের সেটি লাগে না।


আরো সংবাদ

দীর্ঘদিন জেলখাটা আসামিদের মুক্তির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর (২৭৯১৩)করোনা ছড়ানোয় চীনকে যে ভয়ঙ্কর শাস্তি দেয়ার দাবি উঠল জাতিসংঘে (১৭৬৭৩)গাদ্দাফিকে উৎখাতকারী জিবরিলের করোনায় মৃত্যু (১৫৭৯০)রমজান মাসে অফিসের সময়সূচি নির্ধারণ (১৪৩১৪)উকুন মারার ওষুধে ৪৮ ঘণ্টায় খতম করোনা (১৩৯১৮)করোনায় মৃতদের জানাজা-দাফনে প্রস্তুত এক ঝাঁক আলেম (১২৯১২)এবার করোনায় আক্রান্ত বাঘ (১০৬৬১)৩ ঘণ্টার রাস্তা পাড়ি দিয়েছেন ২ দিন, খরচ হয়েছে ৪ হাজার টাকা! (১০৫১৮)'মেয়েকে কোলেও নিতে পারছি না!' দূর থেকে ভেজা চোখে তাকিয়ে পুলিশ অফিসার (১০০৭২)করোনার চিকিৎসায় তুরস্কের অভূতপূর্ব পদক্ষেপ, পাল্টে যাচ্ছে চিকিৎসা পদ্ধতি (৯৭০৬)